চান্দিপুরা ভাইরাস (Chandipura virus) আতঙ্ক গুজরাটে (Gujarat)। হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২২ শিশুর। সে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল (State Health Minister Prafulla) জানিয়েছেন, এই বর্ষার মরশুমে এখনও পর্যন্ত ১৮৪ জনের চান্দিপুরা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বলে আশঙ্কা।
১১ জনের টেস্টের রিপোর্ট মেলেনি এখনও। আক্রান্তদের বয়স ১৫ বছরের কম। আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিরা হোম আইসোলেশনে (Isolation) রয়েছে।
গান্ধীনগর, সবরকান্থা-হিম্মতনগর, পাটন, রাজকোট (Rajkot) এবং ভাবনগরে এই ভাইরাসের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। স্বাস্থ্যবিভাগ নজরদারি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি শহর ও গ্রামগুলিতে ঘুরে ঘুরে কীটনাশক ছড়ানো হচ্ছে। সরকারের তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, জ্বর, বমি, খিঁচুনির মতো লক্ষ্মণ দেখা দিলে শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করার।
চান্দিপুরা ভাইরাসের উপসর্গ (Symptoms) কী কী
প্রবল জ্বর
মাথা যন্ত্রণা
ক্লান্তি
গা, হাত, পা ব্যথা
বমি
টানা কাশি
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
রোগী অচৈতন্য হয়ে কোমায় যেতে পারে
বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাদের জন্য এই ভাইরাস অত্যন্ত গুরুতর। আক্রান্ত হওয়ার ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হল, এই রোগের কোনও প্রতিষেধক নেই। ফলে দ্রুত রোগ নির্ণয় না হলে পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
প্রশাসন জনসাধারণকে মাটির বাড়ির দেওয়াল মেরামত করা এবং বাড়ির চারপাশে কীটনাশক ছড়িয়ে মশা-মাছির উপদ্রব কমানোর পরামর্শ দিয়েছে। চান্দিপুরা একটি বিরল পতঙ্গবাহিত ভাইরাস।

