কলকাতা (Kolkata) ও হাওড়া (Howrah) পুরসভা নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার আগেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল বিজেপি। দুই পুরসভাতেই দলের প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে বলে দাবি করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। পুরভোটে বিজেপির প্রার্থী কারা হবেন, তা নিয়ে জল্পনা প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, প্রার্থী হওয়ার জন্য দলের কাছে আবেদনপত্র জমা পড়েছে বলে তাঁর জানা নেই।
এ বিষয়ে কোনও খবর তাঁর কাছে না থাকলে দলের কাছেও তা থাকার কথা নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী কী মাপকাঠি রাখা হবে, তা খোলসা করেননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
স্বাস্থ্য পরিষেবায় সমন্বয়ের অভাব, অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার
তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে শমীকের দাবি, বিজেপি নিজের শক্তিতেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী লড়াই করেছে এবং মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভোটাররা দলবদল বা জামা বদলের জন্য ভোট দেননি। ২০২১ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই ২০২৬ সালের নির্বাচনে লড়াই করেছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিজেপি কারও দয়ায় ক্ষমতায় আসেনি। দলের প্রতি মানুষের আস্থা এখনও অটুট রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচনেও সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটবে বলে আশাবাদী শমীক। দুই পুরসভাতেই ভালো ফলের প্রত্যাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই নিজেদের শক্তি প্রমাণ করবে বিজেপি। তাঁর মতে, প্রতিটি নির্বাচনই রাজনৈতিক দলগুলির কাছে চ্যালেঞ্জ। পুরভোটে মানুষ এমন মেয়র বেছে নেবেন, যিনি কাজ করবেন। মেয়রের চেহারা কেমন হবে, তা নিয়ে মন্তব্য না করলেও কাজের দক্ষতাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
ডিলিমিটেশন নিয়েও বিরোধীদের অবস্থানকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, শুনানিতে হাজির না হয়ে প্রতিবাদ করায় নিজেদের আপত্তি জানানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছেন বিরোধীরা। ডিলিমিটেশন নিয়ে সমালোচনা করার জন্য নির্দিষ্ট মঞ্চ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

