Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মৌলবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়া রোকেয়াকে শ্রদ্ধা আরেক লড়াকুর

মৌলবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়া রোকেয়াকে শ্রদ্ধা আরেক লড়াকুর

১৯ বছর নির্বাসন কাটিয়ে প্রাণের শহর কলকাতায় ফিরেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। পর পর অনুষ্ঠান সেরে মঙ্গলবার তিনি চলে যান পানিহাটিতে। সেখানে নারীশিক্ষার অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার মূর্তিতে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। নারীশিক্ষা ও নারীদের প্রগতির জন্য আজীবন লড়াই করেছেন রোকেয়া। সেই রোকেয়ার স্মৃতি সৌধতে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে তসলিমা বুঝিয়ে দিলেন কেন আজকের সমাজেও রোকেয়া প্রাসঙ্গিক।

রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন রোকেয়া। বাংলা ও ইংরেজি শেখার অনুমতি ছিল না বাড়িতে। তা সত্ত্বেও প্রথমে দাদা ও পরবর্তীতে স্বামীর সাহায্য কঠোর লড়াই করে এগিয়ে যান তিনি। সমাজে মেয়েদের শিক্ষার জন্যেও তিনি কঠোর লড়াই করেন। অত্যন্ত আধুনিকমনস্ক হওয়ায় তাঁকে মৌলবাদীদের রোষের মুখে পড়তে হয়। ১৯৩২ সালে তাঁর মৃত্যু হলে তাঁকে কলকাতার কোথাও সমাধিস্থ করা যায়নি। শেষপর্যন্ত তাঁকে পানিহাটির সোদপুরে সমাধি দেওয়া হয়। সেখানেই পরে তৈরি হয় পানিহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।

মঙ্গলবার বেগম রোকেয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তসলিমা জানান, "১৯৩২ সালে রোকেয়ার মৃত্যুর পর কলকাতার মৌলবাদী মুসলিমরা তাঁকে সমাধির জন্য জায়গা দেয়নি। রাতের অন্ধকারে এখানে এনে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। উনি নারীশিক্ষা ও প্রগতিশীলতার জন্য অনেক সংগ্রাম করেছেন, লেখিকাও ছিলেন। সেদিক থেকে আমার অগ্রজ। আমি একজন লেখিকা হয়ে তাঁকে আজ শ্রদ্ধা জানালাম।" তসলিমার কথায় স্পষ্ট যে এই শ্রদ্ধা শুধুমাত্র একজন অগ্রজ লেখিকাকে নয়, বরং সমাজের মৌলবাদীদের রক্তচক্ষুকে ভয় না করে এগিয়ে যাওয়া এক সাহসী মহিলাকে শ্রদ্ধা।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Biswa Bangla Sangbad