Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ফায়ার সেফটি নিয়ে অভিষেকের অফিসে কড়া নোটিশ, লিখিত জবাব তলব দমকলের

ফায়ার সেফটি নিয়ে অভিষেকের অফিসে কড়া নোটিশ, লিখিত জবাব তলব দমকলের

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিসের বিলবোর্ড খুলে ফেলার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC ) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের থানায় হাজিরা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই এবার দমকলের তরফ থেকে কড়া নোটিশ পাঠানো হল। সূত্রের খবর অভিষেকের অফিসে ফায়ার সেফটি (Fire Safety) সংক্রান্ত ছটি বেনিয়মের অভিযোগে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব তলব করা হয়েছে।

বিলবোর্ড কাণ্ডের পর অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে হানা দেয় দমকল। সংবাদ মাধ্যমে সেই সংক্রান্ত যা যা ভিডিও এবং ছবি ধরা পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু জায়গায় ফায়ার এলার্ম বাজার সত্বেও সেগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। উল্টে জোর করে এটা বোঝানোর চেষ্টা চলছে যে ফায়ার সেফটি পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। মঙ্গলবার অভিষেকের অফিসে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাতে দমকলের তরফে বলা হয়েছে, ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেটের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১০ অগাস্ট। তৃণমূলের অফিস বিল্ডিংয়ের সপ্তম ও অষ্টম তলায় ফায়ার সেফটি ব্যবস্থায় একাধিক গলদ রয়েছে।সেই কারণে এই মামলায় ফায়ার সেফটি আইনের ৩৭এ ধারা যুক্ত করা হয়েছে।এই বেনিয়মের জন্য কেন অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস সিল করা হবে না তার জবাব চেয়েছে দমকল। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নথিপত্রসহ লিখিত জবাব দিতে হবে ওই বিল্ডিং মালিক এবং যিনি ভাড়া নিয়েছেন তাঁদের।

মঙ্গলবার শেক্সপিয়ার থানায় পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি শেষে সন্ধ্যায় বাইরে এসে শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক আচরণ করার অভিযোগ অভিষেকের। কেন তৃণমূলের পার্টি অফিস নিয়ে এত তৎপরতা সে প্রশ্নও তুলে বলেন, জেলে ঢুকিয়ে রাজত্ব করবে ভাবলে মূর্খের স্বর্গে বাস করছে।বিজেপিকে নিশানা করে অভিষেকের প্রশ্ন, ”মানুষের ভোটে জিতে এলে এত ভয় কীসের?” সরাসরি আক্রমণ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারবে না তাই পিছনে পুলিশ লাগিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে অভিষেক বলেন, যে তৎপরতা গত কয়েকদিন ধরে দেখছি, সেই তৎপরতা যদি রামপুরহাট, বা মির্জা গালিব স্ট্রিটে আগুন লাগার ঘটনায় থাকত তাহলে বারবার একই ঘটনা ঘটত না। তখন ফায়ার অডিট হয় না। আলিপুরে যেখানে ইভিএম রাখা ছিল সেখানে দোতলা থেকে ন'তলায় আগুন লাগল। কারা লাগাল? সেখানে কী ছিল? ৪ হাজার ইভিএম, ৪ হাজার কন্ট্রোল ইউনিট, ৪ হাজার ব্যালট ইউনিট রহস্যজনকভাবে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল। তখন ফায়ার অডিট হয় না। টনক নড়ে না রাজ্য প্রশাসনের। বিষ্ণুপুরে এসআইআরে ১০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। বিজেপি জিতেছে ৪০০ ভোটে। ওই ইভিএমগুলি যদি থাকত, তাহলে বিজেপির মুখোশ খুলে পড়ত।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Biswa Bangla Sangbad