বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ক্ষমতায় এসেছেন তিন মাসও হয়নি, এরই মধ্যে একের পর এক প্রতিশ্রুতি পূরণ করে চলেছেন তিনি। পয়লা অগাস্ট থেকে দেশে শুরু হয়েছে জনগণনার কাজ। তারই মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় বৈধ আবেদনকারী ৩০০ জনের হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন তিনি।
মতুয়া অধ্যুষিত এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করলেন তিনি এবং তাঁর দল ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা একের পর এক বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।
রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি নেতাকর্মীরা তোলাবাজি করছেন বলে যখন অভিযোগ করতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই শক্ত হাতে প্রশাসন সামলাচ্ছেন শুভেন্দু। বালি- পাথর -কয়লা পরিবহনে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করতে একের পর এক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।। তিনি জানিয়েছেন, আগে পাথর খাদান থেকে রাজস্ব সরকারের কাছে ঠিকমতো জমা পড়তো না। কিন্তু এখন খেয়াল রাখতে হবে সরকারি রাজস্ব যেন বেহাত না হয়। আগামী দিনে কীভাবে আইন ও নিয়ম মেনে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করা যায় সেদিকেও নজর দিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ বিজেপি সরকার যে হরির লুট কিংবা অপাত্রে দান বরদাস্ত করবে না সেটা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এখানেই শেষ নয়, মিড ডে মিলের ডিম বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ার আগেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছেন তিনি। আবার ইসকন মিড ডে মিলের দায়িত্ব নিয়েছে বলে স্কুলগুলিতে রান্নার কাজে যুক্ত থাকা মহিলাদের যে কাজ হারাতে হবে না তাও জানিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ একদিকে যেমন দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন পাশাপাশি অসহায়ের দিকেও সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। শুভেন্দুর কার্যকলাপ দেখে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পরিস্থিতি বুঝে পদক্ষেপ করার নীতি বজায় রেখে চলছেন রাজ্যে প্রশাসনিক প্রধান।

