কোনওদিন ভাবতেই পারিনি যে শিশুদের মিড ডে মিলের মেনুতে ডিম ফিরিয়ে আনতে আমাকে সংসদে লড়াই করতে হবে। শেষপর্যন্ত আমরা সেই লড়াই করেছি। আমরা জিতেছি, শিশুরাও জিতেছে। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে বাংলার সরকার। এবং মিড ডে মিলে ডিম পরিবেশন করবে বলে স্থির করেছে।
সমাজমাধ্যমে এই ভাষাতেই দলের এই সফল লড়াইয়ের কথা তুলে ধরলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন।
উল্লেখপর্বে রাজ্যসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়ারম্যানের অনুমতি চেয়ে একটি চিঠিও লিখেছেন ডেরেক। শরীরের সুষ্ঠু গঠনে ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড কতটা জরুরি তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তিনি। এরমধ্যে ৯টি মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবে তৈরি হয় না। কিন্তু ডিমই পারে সেই ঘাটতি মেটাতে। যুক্তি দিয়েছিলেন ডেরেক। সেই কারণেই মিড ডে মিলের মেনুতে ডিম যোগ করার দাবি জানান তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা।
লক্ষ্যণীয়, বাংলায় মিড ডে মিল থেকে ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে তৃণমূল কংগ্রেস। নিন্দার ঝড় ওঠে রাজ্যজুড়ে। প্রতিবাদের চাপে পড়েই শেষপর্যন্ত আবার মিড ডে মিলের মেনুতে ডিম ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে রাজ্যের বিজেপি সরকার।

