চন্দ্রমল্লিকাএকটি অতি পরিচিত ফুল। এই ফুল চেনে না এমন লোক খুজে পাওয়া যায় না। এই ফুল বর্তমানে বানিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে। অক্টোবরে কুঁড়ি আসে এবং নভেম্বরে ফুল ফোটে । গাছে ফুল তাজা থাকে ২০ থেকে ২৫ দিন । চন্দ্রমল্লিকা ফুল কুঁড়ি অবস্থায় তুললে ফোঁটে না। বাইরের পাপড়ি গুলো সম্পূর্ণ খুলে গিয়েছে এবং মাঝের পাপড়ি গুলো ফুটতে শুরু করেছে এমন অবস্থায় খুব সকালে অথবা বিকেলে ধারালো ছুরি দিয়ে দীর্ঘ বোঁটাসহ কেটে ফুল তোলা উচিত।
এখন চন্দ্রমল্লিকা ফুলের বিভিন্ন ধরণের ভেষজ ওষধি গুণাগুণ সম্পর্কে আলোচনা করবো- উপকারিতাঃ চন্দ্রমল্লিকার রস ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি ইত্যাদি রোগে ভালো কাজ করে থাকে। চোখের লাল ভাব চোখ ফোলা সারাতে চন্দ্রমল্লিকার রসে ভালো উপকার পাওয়া যায়। তুলার সাথে চন্দ্রমল্লিকার রস ভিজিয়ে চোখের পাশে মাখালে চোখের লালচে ভাব দূর হয়ে যায়। চন্দ্রমল্লিকাতে রয়েছে এন্টিবায়োটিক যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে থাকে।
আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চন্দ্র মল্লিকা ভালো কাজ করে থাকে। চন্দ্রমল্লিকাতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট তাই এটি মুখের ঘা, মাড়ি ফুলে যাওয়া এবং মুখে ফোসকা পড়া প্রতিরোধে কাজে লেগে থাকে। চন্দ্রমল্লিকা আমাদের দেহের ডায়াবেটিস সারাতে কাজে লাগে। চন্দ্রমল্লিকার রস হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে। চন্দ্রমল্লিকার রস মাথার চুল কালো করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটা আমাদের দেহের ত্বককে সবল রাখতে সহায়তা করে থাকে।
