ভোট মিটতেই গণনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল প্রশাসন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর যেখানে ব্যালট পেপার ও ব্যবহৃত ইভিএম স্ট্রংরুমে সংরক্ষিত করা হয়েছে, সেই সব কেন্দ্রকে ঘিরে কলকাতা পুলিস এলাকায় জারি করা হল ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS)-র ১৬৩ ধারা।
মূলত গণনার আগে উত্তেজনা, জমায়েত, বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই নির্দেশ। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবেও আগাম জানিয়েছে কমিশন।
কলকাতা পুলিসের কমিশনার তথা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অজয় নন্দা ৩০ এপ্রিল জারি করা একটি নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, গণনার আগে উত্তেজনা, জমায়েত, বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। সেই কারণেই তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে।
ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্ট্রংরুম চত্বরের ২০০ মিটারের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তির জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি মিছিল, সভা, বিক্ষোভ, শোভাযাত্রা বা কোনও ধরনের জনসমাবেশও করা যাবে না ওই চত্বরে। আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র, লাঠি, বিস্ফোরক, পাথর, ইট বা ক্ষতিকর বস্তু বহনেও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনহীন কোনও সামগ্রীও ওই এলাকায় নিয়ে যাওয়া যাবে না।
তবে এই নির্দেশের বাইরে রাখা হয়েছে ডিউটিতে থাকা পুলিসকর্মী, মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মী এবং অনুমোদিত ব্যক্তিদের। কলকাতা পুলিসের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তি এই নির্দেশ অমান্য করে তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমতাবস্থায় প্রশাসনিক মহলের মতে, গণনার দিনকে সামনে রেখে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন ও পুলিস। তাই ভোট পরবর্তী পর্যায়ে নজর এখন সম্পূর্ণভাবে গণনা কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দিকেই।
ভোট মিটতেই গণনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করল প্রশাসন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর যেখানে ব্যালট পেপার ও ব্যবহৃত ইভিএম স্ট্রংরুমে সংরক্ষিত করা হয়েছে, সেই সব কেন্দ্রকে ঘিরে কলকাতা পুলিস এলাকায় জারি করা হল ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS)-র ১৬৩ ধারা। মূলত গণনার আগে উত্তেজনা, জমায়েত, বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই নির্দেশ। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবেও আগাম জানিয়েছে কমিশন।

