সোমবার বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর মনোনয়ন পেশ করাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলিপুর। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হন বিজেপি নেত্রী। বলেন, '১ ঘণ্টা হাজরা মোড়ে আমাদের দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।' পরে পুলিসের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরপর গতকাল রাতেই ফের একবার আক্রমণের মুখে পড়েন বিজেপির মন্ডল সভাপতি। তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূলের চক্রান্ত রয়েছে বলেই অভিযোগ তুলেছেন পাপিয়া অধিকারী।
জানা যাচ্ছে, আক্রান্ত বিজেপির মন্ডল সভাপতির নাম সঞ্জয় জয়ধর। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতা পুরসভার টালিগঞ্জ বিধানসভার ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই এলাকারই স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয়। রাতে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর আচমকা চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। বেধড়ক মারধর করা হয় বলে খবর সূত্রের। এরপর তাঁকে আহত অবস্থায় বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে স্থানীয়রা। ঘটনায় এলাকার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত সমাজবিরোধীরাই এই কান্ড ঘটিয়েছে।
গতকাল রাতে সেই খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে পৌঁছান টালিগঞ্জ বিধানসভার বিজেপির প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। দেখা করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর সঙ্গে। পরে সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, 'ওরা ওত পেতে আছে শৃগালের মত। কখন বাড়ি ফিরবে, তারপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, মারধর করবে। কারা থামাবে এগুলো? কেন বারবার বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে?' এরপরেই কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, 'এবার পাল্টা মার যদি শুরু হয় তখন কী হবে? আমাদের উপর মহল থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া আছে, সংযত থাকার জন্য। কিন্তু এটা একতরফা চলতে থাকলে...' তাঁর আরও সংযোজন, 'মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব দয়া করে আপনার দামাল ছেলে গুলোকে সামলান। নির্বাচনটা সুষ্ঠ ভাবে করতে দিন। এই গণতন্ত্র আমরা চাই না। ছাব্বিশের নির্বাচন এই সমস্ত গুন্ডাগিরির বিরুদ্ধেই।'
সোমবার বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর মনোনয়ন পেশ করাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলিপুর। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হন বিজেপি নেত্রী। বলেন, '১ ঘণ্টা হাজরা মোড়ে আমাদের দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।' পরে পুলিসের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর গতকাল রাতেই ফের একবার আক্রমণের মুখে পড়েন বিজেপির মন্ডল সভাপতি। তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার নেপথ্যে তৃণমূলের চক্রান্ত রয়েছে বলেই অভিযোগ তুলেছেন পাপিয়া অধিকারী।

