কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে চাঞ্চল্য। কুখ্যাত জঙ্গি আফতাব আনসারির কুঠুরি থেকে উদ্ধার ৩টি মোবাইল, আইফোন, ওয়াইফাই-সহ যোগাযোগের একাধিক সরঞ্জাম। এছাড়াও নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর সূত্রের। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে সংশোধনাগারের ভিতরে। কীভাবে জেলের ভিতর আফতাবের কাছে এল ওই সরঞ্জাম?
তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। শুরু হয়েছে তদন্ত।
জানা যাচ্ছে, গত ২৩ অগস্ট দমদম সংশোধনাগারের ডিআইজি-র নেতৃত্বে প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। প্রত্যেক কুঠুরিতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন কারা কর্তারা। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে তল্লাশি। এরপরেই আফতাবের ১৪ নম্বর কুঠুরি থেকে উদ্ধার হয়তিনটি স্মার্টফোন, একটি আইফোন, তিনটি জিও সিম কার্ড, দু'টি জিও রাউটার, একটি ওয়াইফাই হটস্পট, দু'টি কার্ড রিডার এবং ১২৮ জিবি-র একটি পেনড্রাইভ। এ ছাড়া তিনটি ওটিজি, একটি হেডফোনও পাওয়া গিয়েছে। মিলেছে নগদ ৩০ হাজার টাকাও।
এর আগেও আফতাবের বিরুদ্ধে জেলে বসে বাইরে যোগাযোগ রাখা এবং নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ, জেলে বসেই পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে সে। কিন্তু যে প্রশ্নটা বার বার উঠছে তা হল, কীভাবে নজর এড়িয়ে আফতাবের কাছে পৌঁছোল ফোন ও যোগাযোগের সামগ্রী? কে তাকে যোগান দিত? তবে কী নেপথ্যে কারা কর্তৃপক্ষই জড়িত? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।
বলে রাখা ভালো, কারাগারে আফতাবকে বরাবরই বিশেষ নজরে রাখা হয়। ২০০৩ সালে কলকাতার আমেরিকান সেন্টারে হামলার ঘটনায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। ফাঁসির সাজাও শোনানো হয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট তা মকুব করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া, খাদিমকর্তার অপহরণেও তার নাম জড়িয়েছিল।
কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে চাঞ্চল্য। কুখ্যাত জঙ্গি আফতাব আনসারির কুঠুরি থেকে উদ্ধার ৩টি মোবাইল, আইফোন, ওয়াইফাই-সহ যোগাযোগের একাধিক সরঞ্জাম। এছাড়াও নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর সূত্রের। ইতিমধ্যেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে সংশোধনাগারের ভিতরে। কীভাবে জেলের ভিতর আফতাবের কাছে এল ওই সরঞ্জাম? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। শুরু হয়েছে তদন্ত।

