সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে সকাল থেকেই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। ১৫৯ ভবানীপুর বিধানসভার গননা কেন্দ্র এটি। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘক্ষণ এখানে অবস্থানের পর কমিশন এখন আরও সক্রিয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এই গণনা কেন্দ্র। সকলকে আইডেন্টি কার্ড দেখিয়ে চেক করিয়ে তবেই ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
তৃণমূলের করা সমস্ত অভিযোগ ভুল বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং একইসঙ্গে তৃণমূলের প্রকাশ করা ওই ভাইরাল ফুটেজ ভুয়ো বলেও দাবি করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক স্পষ্ট জানাই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ব্যালাট পেপার আলাদা করা হচ্ছিল সমস্ত রাজনৈতিক দলকে এবং ক্যান্ডিডেটদের জানিয়ে।
এখনও অবধি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, সাখাওয়াত মেমোরিয়াল কাউন্টিং সেন্টারে ৪.৩০ নাগাত আসতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী।
অন্যদিকে, উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম মেশিন রয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। নির্দিষ্ট কিউআর কোড দেওয়া কার্ড দেখিয়ে তবেই ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে স্ট্রংরুম চত্বর।
গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকেলে দীর্ঘক্ষণ এই স্ট্রংরুমের বাইরেই অবস্থানে বসেন শশী পাঁজা এবং কুনাল ঘোষ। পরবর্তীকালে এসে পৌঁছায় বিজেপি প্রার্থীরাও। কমিশনের হস্তক্ষেপে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়। এরপর একেবারে বাইরে লোহার প্রাচীর আকারে দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড। সেখানে রয়েছে রাজ্য পুলিস-সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীও। লোহার ব্যারিকেড সিল করা হয়েছে শেকল দিয়ে। সকাল থেকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা এসে পৌঁছেছেন। তাদের অভিযোগ ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে যেখানে সিসিটিভি মনিটরিং রয়েছে, সেই নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হোক। কমিশন সূত্রে খবর, লোহার বেরিকেট টপকে সিসিটিভি মনিটরিং পর্যন্ত একমাত্র পৌঁছতে পারবেন প্রার্থী এবং তার এজেন্ট, এবং যারা নির্বাচনী কাজ এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন তারা।
শ্যামপুকুর তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা ভয়ংকর দানি করেছেন। তিনি বলেন, 'গতকাল রাত থেকে প্রায় ১২ ঘন্টা ভিতরে কেউ নেই। আমরা দেখতেই পেলাম না সিসিটিভি।' এখন DEO North বলছেন, যারা ভিতরে ঢুকবেন তাদের কার্ড দেওয়া হবে। কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হবে এখন থেকে। তাহলে দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে কি হল ভিতরে? পুরোটাই অজানা রয়ে গেল... এই নিয়েই তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য-রাজনীতি। তারা প্রশ্ন করেছেন, বিজেপি এজেন্ট ভিতরে ঢুকছে কি করে?
আজ অর্থাৎ ১লা মে, ২০২৬ Deo North-এর সঙ্গে কথা হয় শশী পাঁজার। নেতাজি ইনডোরে গিয়ে কারা কারা ভিতরে থাকতে পারবেন তাদের নামের একটি তালিকা দিয়ে কার্ড তৈরির প্রস্তুতি করা হচ্ছে।
সাখাওয়াত এর বাইরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে স্ট্রংরুম। সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে কারা করা ঢুকছেন তার উপর কড়া নজরদারিও রাখা হয়েছে। সেখানে মূল গেটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে।
সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে সকাল থেকেই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। ১৫৯ ভবানীপুর বিধানসভার গননা কেন্দ্র এটি। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘক্ষণ এখানে অবস্থানের পর কমিশন এখন আরও সক্রিয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এই গণনা কেন্দ্র। সকলকে আইডেন্টি কার্ড দেখিয়ে চেক করিয়ে তবেই ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

