ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল। প্রতিবাদী পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈঠক করে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুললেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi Protest)। তাঁর দাবি, ১৫ বছরের এক কিশোরীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকজনের বাড়িতে গিয়ে ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
বুধবার কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করেন রাহুল গান্ধী। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা কোনও অপরাধ নয়। ছাত্রদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাহুলের অভিযোগ, এক ১৫ বছরের কিশোরীকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকজনের পরিবারের উপরও চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর বন্ধ করা যাবে না।
রাহুল গান্ধী সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য, ছাত্রদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা উদ্বেগজনক।
তাঁর দাবি, যাঁরা দেশের ভবিষ্যতের কথা বলছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা, ভয় দেখানো বা সামাজিক চাপে ফেলার বদলে তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত। কংগ্রেসের অভিযোগ, সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের পর একাধিক শিক্ষার্থী মানসিক ও সামাজিক চাপের মুখে পড়েছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তুলেছে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর আগে ছাত্রদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপকে সমাধান হিসেবে দেখেননি এবং পুনর্মিলনের বার্তা দিয়েছিলেন। তবে রাহুল গান্ধী বলেছেন, ছাত্রদের ক্ষমা নয়, তাঁদের উদ্বেগের সমাধান প্রয়োজন।

