Mamata Banerjee Bhabanipur rally
ক্লাউড টিভি ডেস্ক | রাজনীতি : দক্ষিণ কলকাতার Bhabanipur আবারও রাজ্যের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee, এবং দলীয় সূত্রে খবর-আগামী ৮ এপ্রিল তিনি মনোনয়নপত্র জমা (Mamata Banerjee Bhabanipur rally) দিতে পারেন।
এই ঘোষণার জল্পনাই ইতিমধ্যেই ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ওই দিনকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, কালীঘাটে নিজের বাড়ি থেকে একটি বড় মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন Mamata Banerjee। এই মিছিল শুধু মনোনয়ন প্রক্রিয়া নয়, বরং শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। উপস্থিত থাকতে পারেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব-যার ফলে দক্ষিণ কলকাতায় রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট করে দিতে চাইছে শাসকদল All India Trinamool Congress।
'এক ভোটে হলেও ভবানীপুরে জিতব'-ভোটার তালিকা বিতর্কে আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভবানীপুরে আবারও শ্রীজীব বিশ্বাস বনাম মমতা! বালিগঞ্জে যাদবপুর গবেষক-বামফ্রন্টের দ্বিতীয় তালিকায় চমক
এই কেন্দ্রের গুরুত্ব আরও বেড়েছে কারণ এখানে সরাসরি মুখোমুখি হতে পারেন Mamata Banerjee এবং বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। ২০২১ সালের নন্দীগ্রামের লড়াইয়ের পর এই দুই নেতার সম্ভাব্য মুখোমুখি সংঘর্ষকে অনেকেই 'রিম্যাচ' হিসেবে দেখছেন। ফলে ভবানীপুর এখন শুধুই একটি আসন নয়-এটি রাজ্যের রাজনৈতিক মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত Mamata Banerjee নিজে প্রচারে নামেননি। তবে দলীয় সূত্রের খবর, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই পূর্ণমাত্রায় প্রচার শুরু হবে। ওয়ার্ডভিত্তিক সভা, রোড শো এবং জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৪ এপ্রিল, ড. বি.আর. আম্বেদকরের জন্মদিনকে কেন্দ্র করে প্রচারের বড় সূচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুরের এই লড়াই শুধুমাত্র একটি কেন্দ্রের ফলাফল নির্ধারণ করবে না-এটি রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক বার্তা বহন করবে। কারণ, একদিকে ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী, অন্যদিকে প্রধান বিরোধী মুখ-এই দ্বৈরথের ফল রাজ্যজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে-২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। ভবানীপুরে ভোট দ্বিতীয় দফায়। ফলে মনোনয়ন জমার সময়সীমার মধ্যে ৮ এপ্রিলের সম্ভাব্য পদক্ষেপকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ৮ এপ্রিলের দিনটি শুধু একটি প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা নয়-এটি হতে চলেছে রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের বড় মঞ্চ। এখন দেখার বিষয়, ভবানীপুরের এই হাই-ভোল্টেজ লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।
"প্রজেক্টেড" না বাস্তব শক্তি? নন্দীগ্রাম থেকে উত্তরপাড়া-মীনাক্ষীর সামনে সবচেয়ে বড় লিটমাস টেস্ট
পাকিস্তানে রহস্যমৃত্যু মাসুদ আজহারের ভাইয়ের! কারণ অজানা, বাড়ছে জল্পনা

