Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুর-লুঠপাটের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৬

অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুর-লুঠপাটের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৬

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুর ও লুঠপাট করার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী অভিষেকের দপ্তরে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। টানা দু'ঘণ্টা ধরে চলে ভাঙচুর, লুঠপাট বলে অভিযোগ। পুলিশকে বারবার ফোন করে জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

সিসিটিভি ফুটেজে সেই ছবি ধরা পড়েছে। সমাজমাধ্যমে দুষ্কৃতী হামলার সেই ভিডিও পোস্ট করেছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। এই ঘটনায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত বলে তাঁর অভিযোগ। যদিও বেলা গড়াতেই তদন্তে নেমে পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে এই হামলার ঘটনা যখন ঘটছে তখন কয়েকজন কর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা দুষ্কৃতীদের কাজে বাধা দিলে তাঁদেরও ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে এমন হামলার ঘটনায় আবার সংবাদের কেন্দ্রে উঠে এল ক্যামাক স্ট্রিট। এই ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। এসব সাজানো ঘটনা। যদিও অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এনে তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, 'অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা' হামলা চালিয়েছে। পুলিশে অভিযোগ জানালেও তারা সময় মতো আসেনি। অফিস তছনছ করা এবং সেখানকার কর্মীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

অন্যদিকে কদিন আগে এই ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড খোলা নিয়ে পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায়। তারপর সেখানে দমকল দপ্তরের পক্ষ থেকে ফায়ার অডিটও হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠায় শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। সেখানে গিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও'ব্রায়েন। আর বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। এই আবহে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, 'বিজেপির গুন্ডারা' ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসে ঢুকে দলের কর্মীদের মোবাইল কেড়ে নেয় এবং তাঁদের মারধর করে। ভাঙচুর চালানো হয় গোটা অফিসে। কম্পিউটার-সহ নানা ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম-আসবাবপত্রও ভাঙে তারা এবং লুঠপাট করে।

তাছাড়া এই হামলার নেপথ্যে কারা আছে, কারা পরিকল্পনা এবং সংগঠিত করেছে এবং কার নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছে সেটার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। সমাজমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, 'আমাদের কর্মী এবং আইনজীবীরা বারবার ফোন এবং ইমেল করার পরেও প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে পুলিশের কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। এটা চরম নিন্দনীয় এবং কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার রাতেই নয়াদিল্লি গিয়েছেন। আর বৃহস্পতিবার ঘটল এমন ঘটনা। রীতিমতো ওই অফিস থেকে এয়ার পিউরিফায়ার, প্রিন্টার, টিভি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সাংসদের অভিযোগ। এই ঘটনা পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের জেরা করা হচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman