Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার পানিহাটির প্রাক্তন পুরপ্রধান সোমনাথ, আরজি কর তদন্তে অগ্রগতি

বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার পানিহাটির প্রাক্তন পুরপ্রধান সোমনাথ, আরজি কর তদন্তে অগ্রগতি

রজি করের (RG Kar Case) নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত দাহের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই নতুন মামলায় এবার গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে (Somnath Dey)। পুলিশ সূত্রে খবর, বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে বাংলায় নিয়ে আসা হবে।

এরপর তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে বলে খবর।

এই মামলায় এর আগে আরও দুই অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা নির্যাতিতারর প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। নির্মল ঘোষকে ওড়িশার পুরীর কাছে একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, কলকাতার চিনার পার্কের একটি বাড়ি থেকে আটক করা হয় সঞ্জীবকে। এই মামলায় দু'জনই জামিন পেলেও অন্য একটি মামলায় নির্মল ঘোষ এখনও জেলবন্দি রয়েছেন।

আরও খবর: রাজ্যজুড়ে খাদ্য দপ্তরের অভিযান, উদ্ধার পচা মাংস-পনির, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার

নির্যাতিতার (RG Kar Case) বাবার অভিযোগের ভিত্তিতেই খড়দহ থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, আরজি করের মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ তড়িঘড়ি দাহ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমেই পুলিশ সোমনাথ দে-র ভূমিকা খতিয়ে দেখে।

নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই সোমনাথের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি (Somnath Dey) বার বার নিজের আস্তানা বদলাচ্ছিলেন। পাশাপাশি ফোন নম্বর পাল্টানো এবং একাধিক মোবাইল নম্বর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন খোঁজার পর শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে পাকড়াও করা হয়।

আরও খবর: বর্ষার তাণ্ডবে হিমাচল, ৬৪ দিনে মৃত ২৫৯, বিচ্ছিন্ন ১৫০টি রাস্তা, ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ১২০০ কোটি টাকা

গত ৯ আগস্ট আরজি করের (RG Kar Case) নির্যাতিতা চিকিৎসক-ছাত্রীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় পানিহাটির শ্মশানঘাটে ঘটনার দিন ঠিক কী হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয় ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটকে। এর পরের দিনই নির্যাতিতাক পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু হয়।

পুলিশ সূত্র খবর, শ্মশানঘাটের রিকুইজিশন সংক্রান্ত নথিতে সোমনাথ দে-র (Somnath Dey)নাম পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা তাঁর ভূমিকা নিয়ে খোঁজ করা শুরু করেন। নির্ষাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করা এবং সম্ভাব্য তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার ঘটনায় তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

দেখুন:

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman