Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ভারী বৃষ্টিতে নেপালে উদ্ধারকাজে বাধা, বন্ধ হেলিকপ্টার পরিষেবা

ভারী বৃষ্টিতে নেপালে উদ্ধারকাজে বাধা, বন্ধ হেলিকপ্টার পরিষেবা

চারিদিকে শুধুই ধ্বংসের ছবি। নেপালে হড়পা বানের ভয়াবহতার চিত্র নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ বহু মানুষ। এদিকে হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টির জেরে নেপালে বন্যা উদ্ধারকাজে ফের বড়সড় বাধার সৃষ্টি হয়েছে। ত্রিশুলি নদীর জলস্তর বাড়তে থাকায় রসুয়া জেলার ত্রিশুলি অঞ্চলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। নদীর আশেপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকেরা।

বন্যাকবলিত ভোতেকোশি-ত্রিশুলি করিডর ও সংলগ্ন এলাকায় এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে। আবহাওয়ার অবনতি হওয়ার আগে নেপালি সেনাবাহিনী ও বেসরকারি সংস্থার ১৬টি হেলিকপ্টার ধুনচে, ত্রিশুলি, তিমুরে ও স্যাব্রুবেশি এলাকায় মোট ৯৯টি শাটল ফ্লাইট পরিচালনা করেছিল। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানিয়েছেন, হেলিকপ্টার অভিযানের মাধ্যমে ৫১৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রসুয়া-সহ বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজে মোট ১৫ হাজার ৪৩১ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ হাজার ৭৫৫ জন নেপালি সেনা, ৪ হাজার ৪৭৩ জন নেপাল পুলিশ এবং ৪ হাজার ২০৩ জন আর্মড পুলিষ ফোর্সের সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৪৫১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে ১৯১ জন শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে।

ত্রিশুলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, রসুয়াগাধি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সুড়ঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। এর পাশাপাশি ১২৯ জন বিদেশি পর্যটক ও নাগরিককে উদ্ধার ও শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে নেপালের বিদেশ মন্ত্রক জরুরি পরিষেবা চালু করেছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আগাম সতর্কতা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্যত্র স্থানান্তরের ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ইতিমধ্যে ২ লক্ষেরও বেশি এসএমএস সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এদিকে, নেপাল পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কাঠমান্ডু-মুগলিং সড়ক সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। তবে ধাদিংয়ের বৈরেনি বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার অংশে একদিক দিয়ে যান চলাচল করছে।

নেপালে উদ্ধার ও ত্রাণকাজে ভারত, চিন-সহ বিভিন্ন দেশ সহযোগিতা করছে। সীমান্তের ওপারে বিহারের পশ্চিম চম্পারণে গণ্ডক ব্যারাজে জলস্তর ওঠানামা করলেও বর্তমানে তা ৯৭ হাজার ৫০০ কিউসেক, যা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman