Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

'চাকরিপ্রার্থী' থেকে 'চাকরিদাতা' তৈরির লক্ষ্যে, রাজ্যে প্রথম অটল ইনকিউবেশন সেন্টার

লকাতায় প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার উদ্বোধন হল রাজ্যের প্রথম অটল ইনকিউবেশন সেন্টার (এআইসি টেকনো)। নীতি আয়োগের অটল ইনোভেশন মিশনের (এআইএম) সহায়তায় গড়ে ওঠা এই কেন্দ্রের লক্ষ্য আগামী পাঁচ বছরে ৫০০-রও বেশি স্টার্টআপকে পরামর্শ, পরিকাঠামো, বিনিয়োগের সুযোগ ও শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে বড় করে তোলা।

উদ্বোধনের আগেই প্রায় ২০০টি স্টার্টআপ আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগের সহ-সভাপতি অশোক লাহিড়ী, রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী এবং টেকনো ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেঘদূত রায়চৌধুরী।

Photo: Statesman

অশোক লাহিড়ী বলেন, 'প্রযুক্তি শুধু আবিষ্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, তা বাজারে সফল এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকরও হতে হবে।' তাঁর মতে, বেঙ্গল কেমিক্যালস, বেঙ্গল ল্যাম্পসের মতো প্রতিষ্ঠান এক সময় বাংলার শিল্পোন্নয়নের প্রতীক ছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হলে ইনকিউবেশন সেন্টারকে শুধু অফিস বা পরিকাঠামো দেওয়ার জায়গা নয়, সফল উদ্যোগপতি তৈরির কেন্দ্র হিসেবেই গড়ে তুলতে হবে।

Photo: Statesman

অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ সরকারি চাকরির প্রতি ঝোঁক উদ্যোক্তা-সংস্কৃতিকে পিছিয়ে দিয়েছে। তাঁর কথায়, 'এই ধরনের ইনকিউবেশন সেন্টার নতুন প্রজন্মকে ঝুঁকি নিতে এবং নতুন কিছু তৈরি করার সাহস দেবে।' রাজ্য সরকার ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

Photo: Statesman

আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তীর মতে, শুধু 'জুগাড়' প্রযুক্তি দিয়ে বিশ্বমানের পণ্য তৈরি করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, 'উদ্ভাবনের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দিতে হবে ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং, গুণমান পরীক্ষা এবং নির্ভরযোগ্য উৎপাদনকে।' তাঁর প্রস্তাবিত 'ইনস্পায়ার বেঙ্গল' থেকে 'স্কেল বেঙ্গল' পর্যন্ত ধাপে ধাপে উদ্ভাবনের রূপরেখা বাংলার স্টার্টআপ পরিবেশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

Photo: Statesman

টেকনো ইন্ডিয়ার আশা এই ইনকিউবেশন সেন্টার কেবল নতুন সংস্থা তৈরির কেন্দ্র হয়ে থাকবে না, বরং বাংলায় উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্প, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা-সংস্কৃতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। আগামী দিনে রাজ্যকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টার্টআপ হাব হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman