Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

'একজন ধর্ষক শেষ হয়েছে', পুলিশের ভূমিকার প্রশংসায় অভয়ার বিধায়ক মা

বারুইপুর 'গণধর্ষণ-খুন' কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে। তবে বারুইপুর এনকাউন্টারের ঘটনা নিয়ে পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করলেন অভয়ার বিধায়ক মা। অভয়ায় মা, পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথ। আর বুধবার আরও একবার আরজি কর কাণ্ডেও সুবিচার তাঁরা এবার পাবেন বলেও জানিয়েছেন অভয়ার মা।

অভিযুক্ত প্রভাসের এই পরিণতিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। অভিযুক্তের মা-ও নিজের ছেলের মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করেছেন। যা নিয়ে রত্না দেবনাথ প্রশংসা করেছেন।

এদিকে এখনও পর্যন্ত চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে প্রশাসন। তবে তার মধ্যেই পুলিশের হেপাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করতেই এনকাউন্টার করে মারা হয়েছে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে। প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক কড়া পদক্ষেপে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা। মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের 'দাদা' সম্বোধন করে রাজ্য সরকার ও পুলিশের ভূমিকায় সম্পূর্ণ আস্থাশীল বলেও জানিয়েছেন। আর অভয়ার বিধায়ক মা রত্না দেবনাথ এনকাউন্টার নিয়ে বলেন, 'এখানে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সরকারের আমলে আমরা এখনও বিচার পাইনি। পুলিশ খুব ভাল কাজ করেছে। একজন ধর্ষক শেষ হয়েছে। এভাবে যদি পদক্ষেপ করা হয়, তবেই আগামী দিনে বাচ্চা মেয়েদের রক্ষা করা সম্ভব হবে।'

অন্যদিকে গতকাল বেশি রাতে গণধর্ষণ-খুনের ঘটনার পুননির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। তখনই পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে পালাতে গিয়েছিল মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল বলে অভিযোগ। তাই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এনকাউন্টার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এই গোটা বিষয়টি নিয়ে পানিহাটির বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের দাবি, 'এই ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। তাই পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নিয়েছে। শাসকের আইনের বদলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলেই আমি মনে করি।'

তাছাড়া বারুইপুর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় চার অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর মণ্ডল, আনন্দ সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে প্রভাস মণ্ডলের। একদিন আগেই নবান্ন থেকে বারুইপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই সাক্ষাতের ১২ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ঘটল মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার। তবে বিধায়ক রত্না দেবনাথের কথায়, 'এখানে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমি মনে করি, পুলিশ ভাল করেছে। একজন ধর্ষক শেষ হয়েছে।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman