Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ইরানের ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজেয়াপ্ত আমেরিকার

ইরানের ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজেয়াপ্ত আমেরিকার

রানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াল আমেরিকা। প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ইরানি ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি করলেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। পাশাপাশি, বিদেশে থাকা ইরান-সংযুক্ত সম্পত্তি ও আর্থিক সম্পদ চিহ্নিত করে সেগুলি জব্দ করার প্রক্রিয়াও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বেসেন্টের দাবি, ওয়াশিংটনের এই ধারাবাহিক চাপের ফলে ইরান এখন গভীর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে।

শুক্রবার রিগ্যান ন্যাশনাল ইকনমিক ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এবং পরে ফক্স বিজনেস চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষ সরাসরি ইরানের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ক্রিপ্টো ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। তাঁর কথায়, "আমরা প্রায় ১০০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছি। সরাসরি ওয়ালেটগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়া হয়েছে।"

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি 'অপারেশন ইকনমিক ফিউরি' নামে অর্থনৈতিক অভিযান চালিয়ে ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্ককে দুর্বল করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে শুরু হওয়া এই অভিযানের আওতায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইরানের আর্থিক লেনদেনের পথ সংকুচিত করা হয়েছে।

বেসেন্টের অভিযোগ, এই চাপের ফলে ইরানের অর্থনীতি চরম সমস্যার মুখে পড়েছে। তাঁর দাবি, দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বহু কর্মী নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধি বেড়েছে এবং সরকারকে খাদ্য কুপন বিতরণের মতো পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। যদিও এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এছাড়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সহযোগিতায় ইরানি নেতাদের সঙ্গে যুক্ত বিদেশি সম্পত্তিও চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানান বেসেন্ট। তাঁর অভিযোগ, এই সম্পদ ইরানের সাধারণ মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করেই গড়ে তোলা হয়েছে। তাই সেগুলি বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ইরান-আমেরিকা আলোচনার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর ইরানের নেতৃত্বের কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে এবং এখন ওয়াশিংটনকে নতুন স্তরের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলির সহযোগিতাও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, এই সমন্বিত চাপ ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্ককে আরও দুর্বল করে তুলেছে এবং ভবিষ্যতের কূটনৈতিক আলোচনায় আমেরিকার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman