Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে সাড়ে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, থানায় হাজির ডেরেক

ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে সাড়ে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, থানায় হাজির ডেরেক

ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের দফতরে অশান্তির ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ থানায় পৌঁছন তিনি। সাড়ে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুপুর পৌনে ৩টে নাগাদ থানা থেকে বেরিয়ে গেলেও সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি ডেরেক।

প্রথম নোটিসে হাজিরা না দিলেও দ্বিতীয় নোটিসের পর বুধবার থানায় হাজির হন তৃণমূলের এই সাংসদ। আইনজীবীর মাধ্যমে চিঠি দিয়ে আগেই জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত দিনে তাঁর পক্ষে থানায় যাওয়া সম্ভব নয়। এরপর নতুন করে নোটিস দিয়ে বুধবার তাঁকে তলব করা হয়।

একই মামলায় বুধবার হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ও। দুপুর ১২টায় তাঁকে থানায় তলব করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের কিছু আগেই তিনি শেক্সপিয়র সরণি থানায় পৌঁছে যান। এই মামলায় বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকেও।

গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তর থেকে একটি বিলবোর্ড খুলতে গিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা। পুরসভার দাবি, তৃণমূলের নামাঙ্কিত ওই বিলবোর্ডটি অবৈধ ভাবে লাগানো হয়েছিল এবং বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলছিল। সেটি খুলতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে পুরকর্মী ও পুলিশের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, পুলিশ ও পুরকর্মীদের মারধর এবং মহিলা পুলিশকর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। একটি অভিযোগ করেছেন পুরসভার এক আধিকারিক। অন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন পার্ক স্ট্রিট থানার এক সার্জেন্ট। সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং মারধরের পাশাপাশি মহিলা পুলিশকর্মীদের হেনস্থা ও শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগেও মামলা হয়েছে। এফআইআরে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার।

মঙ্গলবার এই মামলাতেই শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, ''একটা সাইন বোর্ড নামানোর জন্য কলকাতা পুলিশের ১০০০ কর্মী পাঠানো হয়েছে। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার জন্য করা হয়েছে।''

অভিষেকের বিরুদ্ধে মহিলা পুলিশকর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। সেই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন তিনি। পাল্টা তাঁর দাবি, তাঁদের ১৩ জন কর্মীকে 'অবৈধ ভাবে' গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ''নোটিস ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ভাবে গ্রেফতার করা যায় না। অনেক পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে।''

ডেরেক, সুমিতের পর বৃহস্পতিবার আরও এক তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকার ঘটনায় ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডের তদন্তে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman