Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, ব্যাহত একাধিক ট্রেন চলাচল

নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে ফরাক্কায় রেললাইনে ধস, ব্যাহত একাধিক ট্রেন চলাচল

নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা স্টেশন সংলগ্ন রেললাইনে ধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে হঠাৎই ডাউন লাইনের মাটি ধসে ট্র্যাক বসে গিয়েছে। তার জেরে বড় কোনও বিপদ না ঘটলেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ট্রেন চলাচল। দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রেল যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গের দিকে যাওয়া একাধিক ট্রেন মাঝপথে দাঁড়িয়ে পড়েছে। সেই তালিকায় আছে দার্জিলিং মেল, কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো ট্রেন। আর নিউ ফরাক্কা জংশন স্টেশন থেকে হাওড়ার দিকে যাওয়ার পথে ফরাক্কা এবং তিলডাঙা স্টেশনের মাঝে রেললাইনে ধস নেমেছে বলে রেল সূত্রে খবর।

এখানেই শেষ নয়, পদাতিক এক্সপ্রেস, যোগবানি এক্সপ্রেস, গৌড় এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে পড়ে এই ধসের কারণে। নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে মাটি সরে গিয়ে রেললাইনের নীচের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিউ ফরাক্কা স্টেশনের কাছে ফরাক্কা ব্যারেজের ঢোকার মুখে আপ লাইনের একটি অংশে ধস নেমে যাওয়ায় এমন কাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেলের কর্মীরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতির কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। এই ঘটনায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। রেলের পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। ভোর থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত রেলাইন মেরামতের কাজ। কিন্তু বৃষ্টির জেরে তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং বিপাকে পড়েছে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষও।

তিলডাঙা এবং নিউ ফরাক্কা স্টেশনের মাঝে ধস দেখা যায়। এই অবস্থায় ঝুঁকি না নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে নিউ জলপাইগুড়ি এবং শিলিগুড়ির দিকে যাওয়া দূরপাল্লার ট্রেনগুলি। থমকে যায় লোকাল ট্রেনের চাকাও। ফরাক্কা স্টেশন সূত্রে খবর, ক্ষতিগ্রস্ত আপ লাইন এবং ডাউন লাইন ব্যবহার করে ট্রেন চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে যতটা সম্ভব কম সময়ের জন্য পরিষেবা ব্যাহত হয়। এমনকী বিকল্প পথে ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ধসের জেরে হাওড়াগামী বেশ কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে মেরামতির কাজ শেষ হয়ে লাইন নিরাপদ ঘোষণা করার পরই স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।

তাছাড়া কদিন ধরে নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে। নিম্নচাপের জেরেই এই মুষলধারে বৃষ্টি বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর। বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগ কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার হয়ে বৃষ্টি চলবে। আগামী সোমবার থেকে আবার ঝড়বৃষ্টি বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman