Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
পথখাদ্য সংস্কৃতি নিয়ে এবারে বড় পদক্ষেপ

পথখাদ্য সংস্কৃতি নিয়ে এবারে বড় পদক্ষেপ

লকাতার পথখাদ্য সংস্কৃতিকে আরও নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল ভারত চেম্বার অব কমার্স এবং 'ডক্টরস চয়েস'। দুই মাসব্যাপী 'পরিষ্কার হাত, পরিষ্কার পাতে' কর্মসূচির প্রথম পর্ব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন প্রান্তের ১,২০০-রও বেশি পথখাদ্য বিক্রেতা অংশগ্রহণ করেছেন।

Advertisement

ডেকার্স লেন, টালিগঞ্জ, সাউদার্ন অ্যাভিনিউ, দেশপ্রিয় পার্ক, যাদবপুর, সন্তোষপুর, লর্ডস মোড়, পার্ক সার্কাস, মুকুন্দপুর, কালিকাপুর, রাজডাঙা, চিৎপুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, চেতলা, ফুলবাগান, সল্টলেক, বেলেঘাটা, কাঁকুড়গাছি, শ্যামবাজার, রুবি, টেরিটি বাজার, লালবাজার, নিউ মার্কেট-সহ শহরের একাধিক এলাকায় কর্মশালা আয়োজন করা হয়। সেখানে খাদ্য পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাদ্য পরিবেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কে বিক্রেতাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

Advertisement

প্রথম পর্বে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণকারী ৩০ জনেরও বেশি বিক্রেতাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী ধীমান দাস, খাদ্য ইতিহাসবিদ কমল বন্দ্যোপাধ্যায়, 'ডক্টরস চয়েস'-এর মুখ্য ব্যবসা আধিকারিক ধিনাল ব্রহ্মভট্ট, বিপণন ও কৌশল বিভাগের অধিকর্তা শিবম আগরওয়াল, খাদ্য উদ্যোক্তা শিলাদিত্য চৌধুরী এবং পুষ্টিবিদ রিমি বন্দ্যোপাধ্যায়।

উদ্যোক্তাদের মতে, কলকাতার পথখাদ্য শুধু খাবার নয়, শহরের সংস্কৃতি ও অর্থনীতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিক্রেতাদের হাতে গ্লাভস, টুপি, অ্যাপ্রন, হাত পরিষ্কার রাখার সামগ্রী, খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তাঁদের শংসাপত্রও দেওয়া হয়।

ভারত চেম্বার অব কমার্স জানিয়েছে, পথখাদ্য বিক্রেতাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের মান উন্নত করা সম্ভব। একই সঙ্গে এতে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী পথখাদ্য সংস্কৃতির গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাও আরও বৃদ্ধি পাবে।

প্রথম পর্বের সাফল্যের পর আগামী জুন মাস থেকেই এই উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। আয়োজকদের আশা, আরও বেশি সংখ্যক বিক্রেতাকে এই কর্মসূচির আওতায় এনে শহরের খাদ্য নিরাপত্তার মানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

Advertisement

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman