Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

সরকারি কর্মীদের জন্য নয়া নির্দেশ নবান্নের, একমাসেই বদলে গেল নিয়ম

রকারি কর্মচারীদের হাজিরায় এবার পরিবর্তন আসছে। আর এই পরিবর্তনের কথা আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেটাই এবার আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দপ্তরে পৃথক করে কোনও বায়োমেট্রিক হার্ডওয়্যার মেশিন বসানোর দরকার নেই। নতুন নিয়মে সরকারি কর্মীরা সরাসরি অফিস চত্বরের মধ্যেই নিজেদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাজিরা (অ্যাটেনডেন্স) দিতে পারবেন।

তার ফলে রাজ্য সরকারের বিপুল খরচ যেমন বাঁচবে তেমন হাজিরা প্রক্রিয়াও হবে আরও সহজ ও স্বচ্ছ। অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার জন্য সরকারি সব দপ্তরের নিজস্ব সফটওয়্যার সলিউশনগুলি খতিয়ে দেখতেও বলা হয়েছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে নানা দপ্তরে বায়োমেট্রিক মেশিন বসানোর কাজ শুরু হলেও অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, সেগুলি রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঠিকমতো কাজ করছে না। ফলে দপ্তরে এসেও অনেকে অনুপস্থিত থাকছে এবং অনুপস্থিত থেকেও অনেকে উপস্থিত হয়ে যাচ্ছেন। এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। তাই নতুন এই মোবাইল-ভিত্তিক জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু করে দপ্তরের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে থেকেই সরকারি কর্মীরা অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নথিভুক্ত করতে পারবেন। তার ফলে অফিসে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে। গোটা প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ থাকবে বলে মনে করছে অর্থ দপ্তর। এই নির্দেশিকা এবার সমস্ত দপ্তরে পাঠানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

গত ১৫ জুন থেকে নবান্নে 'ফেস রিকগনিশন' বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাই ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দপ্তরে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়। এবার তাতে বেশ কিছু বদল আনা হলো। সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে উপস্থিত হলে 'লেট' হিসেবে চিহ্নিত হবে সেই দিনটি। সকাল ১১টার পর অফিসে এলে 'অনুপস্থিত' হিসেবে ধরা হবে। আর বিকেল ৫টা বেজে ১৫ মিনিটের আগে অফিস ত্যাগ করলে 'আর্লি ডিপার্চার' বলে গণ্য করা হবে।

এটা একটা সরকারি নিয়মানুবর্তিতা অথবা ডিসিপ্লিন হিসাবেই দেখা হচ্ছে। কারণ সরকারি কর্মচারী মানেই ধরে নেওয়া হয়, আসি যাই মাইনে পাই। সেই ধারণাকে ভেঙে দিতে চাইছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বরং মানুষের জন্য কাজ করতে হবে বলেই এমন পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তাতে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ সরকারি দপ্তরে এসে পরিষেবা পাবেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman