Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
টাইব্রেকারে বিশালের হাত ধরে শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান

টাইব্রেকারে বিশালের হাত ধরে শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান

ভাগ্যিস মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট দলে একটা বিশাল কাইথ আছেন। যিনি একার হাতে হারা ম্যাচ জিতিয়ে দিতে জানেন । কোচের ভুল সিদ্ধান্তকে সাফল্যে বদলে দিতে পারেন। রবিবারও যার অন্যথা হল না। তা সত্ত্বেও কেন জাতীয় দলে তাঁকে ছেড়ে গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে সুযোগ দেন কোচ খালিদ জামিল, তা হয়তো একমাত্র তিনিই বলতে পারবেন।

আইএফএ শিল্ডের প্রথম সেমিফাইনালে এদিন মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শেষ চারের লড়াইয়ে সবুজ মেরুনের প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব এফসি।
রবিবার, ম্যাচের শুরু থেকে কিছুটা আগ্রাসী মনোভাবে খেলা শুরু করলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। যদিও, শুরুতে আশিষ রাই, লিস্টন কোলাসো, সমীর জালকোভিচ'দের আক্রমণাত্মক থেকে খেলার ৮ মিনিটে পাঞ্জাব ডিফেন্সের ভুলে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে যান আশিস রাই। কিন্তু, দ্রুত বেরিয়ে এসে পাঞ্জাবের গোলকিপার অর্শদীপ সিং বল বিপদমুক্ত করেন। সেইসময়, অর্শদীপের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর চোট পান আশিষ। তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন সবুজ মেরুন কোচ প্যানজিওটিস দিলেম্পেরিস। জানা গিয়েছে, তাঁর চোট বেশ গুরুতর। আর আশিসের আচমকা চোটে কিছুটা হলেও ম্যাচ থেকে ছিটকে দিলো মোহনবাগানকে।
এদিকে, আশিষকে ফাউল করলে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রিকিক পেয়েছিল সবুজ মেরুন শিবির। খেলার ১০ মিনিটে সেই ফ্রিকিক পোস্টে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এলো।
এরপরেই খোলস ছেড়ে বেড়ালো পাঞ্জাব এফসি। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে তাঁরা । ম্যাচের ৩০ মিনিটের পর তাদের আক্রমণের চাপ ক্রমেই বাড়তে থাকে। এই অবস্থায় ম্যাচের ৩৭ মিনিটে বিশাল কাইথ দুর্দান্ত সেভ করেন। পরের মিনিটেই ছাংতের সাইড ভলি আটকে দেন গোলরক্ষক অর্শদীপ।
গোলশূন্য অবস্থায় প্রথমার্ধের খেলা শেষ হলে, বিরতির পর লিস্টনকে তুলে মিগুয়েলকে নামিয়ে আক্রমণের চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করে মোহনবাগান। পাশাপাশি, কিছুটা আশ্চর্যজনকভাবে গোলরক্ষক অর্শদীপকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদল করে পাঞ্জাব এফসি। এদিকে, মিগুয়েল মাঠে নামায় বলের দখল নিতে শুরু করেন সমীর জালকোভিচ, ড্রেজান ড্রাজিচ'রা। তাতেও বিশেষ লাভ হলো না। উল্টে, সুযোগ পেয়ে পাল্টা আক্রমণে উঠল পাঞ্জাবও। ৭০ মিনিটে মেসি বাউলির শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
খেলার একেবারে শেষ দিকে গোলের মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। এইসময়, ৮৫ মিনিটে মিগুয়েলের ফ্রি-কিক থেকে শুভাশিসের হেড জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল করেন রেফারি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য শেষ হলে ম্যাচ যায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি কোনও দল। তবে, বেশ কিছু গোলের সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি মোহনবাগান। যারফলে, ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে ফের দলের ত্রাতা হয়ে উঠলেন বাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পাঞ্জাবের দুটি শট আটকে দেন তিনি। যারফলে, মোহনবাগান ম্যাচ জিতলো ৫-৩ ব্যবধানে। ট্রাইব্রেকারে সবুজ মেরুনের হয়ে গোলগুলি করলেন রাহুল ভেকে, আলবার্তো রদ্রিগেজ, শুভাশিস বসু এবং মিগুয়েল ফিগুয়েরা। দলের হয়ে চতুর্থ শটটি মিস করেন ড্রেজান ড্রাজিচ। অন্যদিকে, পাঞ্জাবের হয়ে গোল করেন মেসি বাউলি, ঋষিকান্ত মিতেই ও আর্শবীর সিং।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman