Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
টাটা বাংলায় ফিরবে: শমীক ভট্টাচার্য

টাটা বাংলায় ফিরবে: শমীক ভট্টাচার্য

রাজ্যে টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে আনতে বিজেপি বদ্ধপরিকর। শুক্রবার পশ্চিবঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই কথা বলেন। বাংলার উন্নয়নের জন্য শিল্পায়নকে অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি সিঙ্গুরে টাটা কারখানার স্মৃতিকেও উস্কে দেন।

২০০৮ সালে সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণে বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনের জেরে টাটা মোটরস তাদের ন্যানো প্রকল্প সিঙ্গুর থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এই ঘটনা পশ্চিম বঙ্গের শিল্প ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। শুধু তাই নয়, রাজ্যে রাজনীতির পালাবদলেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান নিয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা এখনও বারবার উঠে আসে।

Advertisement

সমাজ মাধ্যমে শমীক ভট্টাচার্য ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবরের কথা তুলে ধরেন। সেই দিন টাটা সিঙ্গুর ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তিনি লেখেন, এই ঘটনা রাজ্যের মানুষের স্মৃতিতে এক গভীর ক্ষতচিহ্ন হিসেবে রয়ে গিয়েছে।

Advertisement

তিনি পোস্টে দাবি করেন, এর প্রভাব শুধু একটি সংস্থার চলে যাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁর মতে, শিল্প চলে গেলে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যায়। উন্নয়নের গতি থমকে যায় এবং যুব সমাজের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শিল্পায়নের পক্ষে সওয়াল করে বিজেপি নেতা বলেন, তাঁর দল মনে করে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক অগ্রগতির একমাত্র টেকসই পথ হল শিল্পায়ন। তিনি আরও জানান, টাটা গোষ্ঠীকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব বিজেপি নিজে কাঁধে নিয়েছে।

শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে আবার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চায়। যা রাজ্যের যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, 'টাটা ফিরবে, শিল্প ফিরবে, চাকরি ফিরবে এবং পশ্চিমবঙ্গ আবার এগিয়ে যাবে।'

সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটরসের ন্যানো প্রকল্প গুজরাতে স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি পশ্চিবঙ্গে শিল্পনীতি, বিনিয়োগের পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বিজেপি রাজ্যের রাজনীতিতে শিল্প ও বিনিয়োগকে একটি কেন্দ্রীয় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। গেরুয়া শিবির বারবার দাবি করে আসছে যে, বৃহৎ শিল্প প্রকল্প আকর্ষণ করাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উপায়।

Advertisement

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Dainikstatesman