Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
কাশী বিশ্বনাথ করিডরের আদলে গড়ে উঠবে 'আড়া রাঢ়েশ্বর করিডর'!

কাশী বিশ্বনাথ করিডরের আদলে গড়ে উঠবে 'আড়া রাঢ়েশ্বর করিডর'!

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বাংলার ইতিহাস ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠা প্রাচীন মন্দিরগুলিকে নতুন করে সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পথে এগোতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যজুড়ে 'তীর্থক্ষেত্র সার্কিট' এবং 'বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট' গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পে ধর্মীয় পরিকাঠামো, সংরক্ষণ এবং পর্যটন বিকাশের জন্য রাজ্য বাজেটে ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য, প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মন্দিরগুলিকে হেরিটেজ হিসেবে আরও সুসংহতভাবে গড়ে তোলা। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারের মাধ্যমে এই তীর্থস্থানগুলিকে নতুন পরিচিতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই উদ্যোগে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি আড়া রাঢ়েশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে কাশী বিশ্বনাথ করিডরের আদলে একটি 'আড়া রাঢ়েশ্বর করিডর' গড়ে তোলার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকার সেই প্রস্তাব নীতিগতভাবে গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: মানবিক উদ্যোগ, ক্যান্সার রোগীদের জন্য চুল দান করলেন দুর্গাপুরের তরুণী

বৃদ্ধদের আশ্রয় গড়তে ১০ কাঠা জমি দান দুর্গাপুরের অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীর

অন্যদিকে, কাঁকসার গড় জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত গড়চণ্ডী ধাম, যা বহু ভক্তের কাছে এক প্রাচীন শাক্তপীঠ হিসেবে পরিচিত, তারও সার্বিক উন্নয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মার্কণ্ডেয় চণ্ডী-র বর্ণনা অনুসারে রাজা সুরথ এই স্থানেই প্রথম দুর্গাপূজার সূচনা করেছিলেন।

প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে— মন্দির চত্বরে আকর্ষণীয় প্রবেশ তোরণ নির্মাণ, যাত্রী নিবাস, সাধু-সন্তদের থাকার ব্যবস্থা, যজ্ঞকুণ্ড, সেবা কেন্দ্র, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি। এছাড়াও, পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি এলাকার ঐতিহাসিক পঞ্চপাণ্ডব মন্দিরকেও তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

স্থানীয় মানুষের আশা, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শুধু ধর্মীয় গুরুত্বই নয়, পশ্চিম বর্ধমানের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছবে। একই সঙ্গে পর্যটন বাড়লে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Durgapur Darpan