ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের মামলা, অগ্নিকাণ্ডের পর কড়াকড়ি, কলকাতায় হোটেল-গেস্টহাউসে বিপাকে বাংলাদেশি রোগীরা, ট্রাম্প-শি বৈঠকে কতটা বরফ গলবে?...আরো খবর এখানে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের মামলা অগ্নিকাণ্ডের পর কড়াকড়ি, কলকাতায় হোটেল-গেস্টহাউসে বিপাকে বাংলাদেশি রোগীরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে কতটা বরফ গলবে?
তারপর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। মধ্য কলকাতার মারকুইস স্ট্রিটের ওই বেসরকারি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে পর তদন্তে জানা যায়, অগ্নিনিরাপত্তা–সংক্রান্ত ছাড়পত্রসহ হোটেলটির একাধিক ক্ষেত্রে বৈধ অনুমোদন ছিল না। এ ঘটনার জেরে শহরজুড়ে অবৈধ হোটেল ও গেস্টহাউস ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে কলকাতা পৌরসভা। অভিযানে ৯৬০টি হোটেল ও গেস্টহাউস পরিদর্শনের পরে ৯১৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দেশিকা জারি করে সেগুলো সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় পৌরসভা।
বিশেষ করে পার্ক স্ট্রিট, এসপ্ল্যানেড, মারকুইস স্ট্রিট, লিন্ডসে স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও কলিন লেনের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত বহু ছোট ও বাজেট হোটেলের ওপরে প্রশাসনিক নজরদারি তীব্র হয়। অভিযানে এমন বেশ কয়েকটি অতিথিশালার সন্ধান মেলে, যারা মিশ্র ব্যবহারযোগ্য ভবনে বেশ কয়েক বছর যাবৎ অনুমোদন ছাড়াই হোটেল ব্যবসা চালাচ্ছে। অগ্নিনিরাপত্তার বিধি ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য লাইসেন্স না থাকার কারণে এদের বেশির ভাগেরই মূল ফটকে পৌরসভার তরফে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কলকাতার পৌর কমিশনার স্মিতা পান্ডে জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো রকম আপস করা হবে না।
এ পরিস্থিতিতে যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে নেত্রকোনার মহম্মদ রফিকুলের মাথায়। তিনি জানান, এক মাস আগে বড় ভাই সফিকুলের ক্যানসার ধরা পড়ে। কেমোথেরাপির পরামর্শ দিয়েছিলেন স্থানীয় চিকিৎসকেরা। তাই কলকাতার হাসপাতালে বড় ভাইয়ের চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বহু কষ্টে জোগাড় হয় মেডিকেল ভিসা, কোনোরকমে টাকার ব্যবস্থা করে রোগীকে নিয়ে আগস্টের শেষে কলকাতায় পৌঁছান রফিকুল, সঙ্গে স্ত্রী সালমা বেগম। তারা ওঠেন মধ্য কলকাতার একটি গেস্টহাউসে। বিশেষ অপেক্ষা করতে হয়নি, এক রাত হাসপাতালে থেকে কেমো নিয়ে ছাড়া পান সফিকুল। আরো কয়েকটি পরীক্ষার জন্য দিন তিনেক ওই গেস্টহাউসেই থাকার কথা ছিল।
কিন্তু অগ্রিম টাকা নেওয়ার পরও প্রথম রাতেই তাদের গেস্টহাউস ছাড়তে বাধ্য করা হয়। আপত্তি জানিয়েও লাভ হয়নি, রাত ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ মালপত্রসহ সবাইকে বাকি টাকা ফেরত দিয়ে বের করে দেন গেস্টহাউসের মালিক। বাধ্য হয়ে রাতে ফুটপাতে প্লাস্টিকের চাদর বিছিয়ে রোগীকে ও নিজেদের শোয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। রাত পেরোলেও আশপাশের অন্যান্য গেস্টহাউস বা হোটেল বুক করার আপ্রাণ চেষ্টা করেও বিশেষ লাভ হয়নি।
দেখা যায়, হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার অধিকাংশ অতিথিনিবাসের দরজায় তালা ঝুলছে, আবার সাদা কাগজে ‘বন্ধ’ শব্দটি লিখে সেঁটে দেওয়াও হয়েছে। যেসব অতিথিশালা চালু রয়েছে, তার ভাড়া আচমকা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। উপায় খুঁজে না পেয়ে শেষে শুধু রোগী নন, গোটা পরিবারেরই ঠাঁই হয় ফুটপাতে। মধ্য পঞ্চাশের রফিকুল কান্না জড়ানো কণ্ঠে জানতে চান, ‘‘কেন আমাদের সঙ্গে এমন করা হচ্ছে?
আমাদের অপরাধ কী?’’ এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পড়তে ক্লিক করুন এখানে এসিবি/ জেডএইচ (প্রথম আলো) ট্রাম্প-শি বৈঠকে কতটা বরফ গলবে? ওয়াশিংটনে এ সপ্তাহে মুখোমুখি বসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির নেতাদের এই বৈঠক ঘিরে বিভিন্ন মহলে নানা প্রত্যাশা। চলমান বাণিজ্য বিরোধ কী আদৌ কমবে?
তবে এর আগে মে মাসে বেইজিংয়ে দুই নেতার বৈঠকে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। বার্লিনভিত্তিক চীনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মেরিকসের পরিচালক মিক্কো হুওতারি গত সপ্তাহে জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের ধারণা— ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একে অপরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করবে। তার ভাষায়, ''শি জিনপিংয়ের জন্য ওয়াশিংটনে কোনো বড় ধরনের সমঝোতা জরুরি নয়। বরং তার প্রয়োজন আরও সময়।
একইভাবে ওয়াশিংটনও চীনের থেকে আরেকটু সময় নেওয়ার চেষ্টা করবে। দুই দেশই ‘কৌশলগত অচলাবস্থা’ বজায় রেখে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালাবে বলে মনে হচ্ছে।'' বাণিজ্যই কি আলোচনার কেন্দ্রে? গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য বিরোধ তীব্র হওয়ার পর দুই দেশ শুল্ক আরোপ ও পাল্টা শুল্কের পথে হাঁটে। পরে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কিছুটা কমানো হয়।
বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর বাণিজ্য সমঝোতা বজায় রয়েছে, যার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের এবারের আলোচনায় শুল্ক কমানো, চীনা পণ্যের বাজারে প্রবেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ও শিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। একই সঙ্গে বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থের সরবরাহও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হতে পারে। এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি) দিল্লিতে কিশোরীকে গণধর্ষণ দিল্লিতে আবার গণধর্ষণের অভিযোগ।
দক্ষিণ দিল্লির কালকাজি মন্দিরের কাছের পার্কে একজন অপ্রাপ্তবয়স্কা নারীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ ওই কিশোরী তার এক বন্ধুর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে যান। তারপর তারা মন্দিরের পিছনে পার্কে হাঁটতে যান। সেখানে ২৫-৩০ বছর বয়স্ক তিনজন পুরুষ তাদের কাছে আসে।
তারা নিজেদের পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। একজন কিশোরীর বন্ধুকে আটকে রাখে। অন্য দুইজন কিশোরীার উপর যৌন নির্যাতন চালায়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পর তারা তল্লাশি জোরদার করে।
গুলিবিনিময়ের পর একজন অভিযুক্তকে তারা ধরতে পেরেছে। তদন্ত চলছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির কুশাক রোডে গণধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারপরেই কালকাজি মন্দিরের কাছে এই ঘটনা ঘটলো।
জিএইচ/এসজি(এএনআই) বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ার পরই বাস, ট্রাকের ভাড়া বাড়লো বাংলাদেশে ডিজেলের দাম বাড়ানোর পরদিন সোমবার রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে বাসভাড়া দূরত্বভেদে ভাড়া ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলো। । কুষ্টিয়ার একজন চালকলমালিক জানিয়েছেন, আগের দিন যে চাল তিনি ২০ হাজার টাকা ট্রাকভাড়া দিয়ে ঢাকায় পাঠিয়েছেন, দাম বাড়ার পর তা পাঠাতে লেগেছে ২২ হাজার টাকা। ট্রাকের ভাড়াও দূরত্বভেদে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা বেড়েছে। এভাবেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পরিবহন খাতে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহনভাড়া যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে কৃষির উৎপাদন ব্যয়। কারখানা থেকে পণ্যের সরবরাহ ব্যয় বাড়বে। কিছু ক্ষেত্রে কারখানার পণ্যের উৎপাদন ব্যয়ও বাড়বে। বিদ্যুৎহীন অথবা লোডশেডিংয়ের সময় যেসব গ্রামীণ পরিবারে কেরোসিনের কুপি জ্বালানো হয়, তাদের খরচ বাড়বে।
মোটরসাইকেল ও গাড়ির মালিকদের ব্যয় তো বাড়বেই। সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিপাকে পড়বেন মূলত গরিব, নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান প্রথম আলোকে বলেছেন, কয়েক বছর ধরেই মূল্যস্ফীতি বেশি।
সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা চাপের মুখে। বাসভাড়া কিছুটা বৃদ্ধি, চাল বা সবজির মূল্যবৃদ্ধি কিংবা রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের পরিবারের মাসিক বাজেটে বড় চাপ তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, শহরের নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, ডিজেলনির্ভর সেচব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল কৃষক পরিবার ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক—তাঁদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনালের কাউন্টারগুলো ঘুরে গতকাল দেখা যায়, টার্মিনাল ছেড়ে যাওয়া বিভিন্ন রুটের বাসে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) ও নন-এসি—সব বাসেই বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে। ডিজেলের দাম বাড়লে লঞ্চসহ নৌযানের ভাড়া বাড়ে। ট্রেন চালানোর খরচ বাড়ে। তবে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি নির্ভর করে রেল কর্তৃপক্ষের ওপর।
এদিকে ট্রাকভাড়াও বেড়েছে। একটু দূরের পথে ২ থেকে ৮ হাজার টাকা বাড়তি ভাড়া চাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ডিজেলের দাম বাড়লে সেচের খরচ বাড়ে। সরকারি হিসাবে, দেশে ১৩ থেকে ১৫ লাখ ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র রয়েছে।
ডিজেলের চাহিদা ১৫ শতাংশ সেচ ও কৃষি খাতের। জিএইচ/এসজি(প্রথম আলো) এশিয়ান গেমসে হাত মেলালেন ভারত-পাক টেবিল টেনিস প্লেয়াররা পহেলগাম কাণ্ডের পর ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলান না ভারতের পুরুষ ও নারী ক্রিকেটাররা। কিন্তু জাপানে এশিয়ান গেমসে সোমবার টেবিল টেনিসে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তানের পুরুষ ও নারী দল। খেলার শেষে দুই দলের টেবিল টেনিস প্লেয়াররা একে অন্যের দিকে মাথা নেড়েছেন, হাত মিলিয়েছেন: ইরানের কাছে হারার পর ভারতের পুরুষ দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০-তে ম্যাচ জিতে নেয়।
ম্যাচের পর এস গুণশেখরণ, পায়াস জৈন, হরমিত দেশাই মাথা নাড়েন ও হাত মেলান পাকিস্তানি প্লেয়ার আব্বাস খান, খান মুহাম্মদের সঙ্গে। ভারতীয় মেয়েরাও পাকিস্তানের নারী দলকে ৩-০ ব্যবধানে হারায়। তারপর সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়, সি্ন্ড্রেলা দাস এবং শ্রীজা আকুলা হাত মেলান পাকিস্তানের আলিনা খান, কাসলুমা খান এবং ফতিমা খানের সঙ্গে। জিএইচ/এসজি(এএনআই, সোনি লিভ) যুক্তরাজ্যে রুয়ান্ডা গণহত্যায় যুক্ত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত যুক্তরাজ্যে রুয়ান্ডা গণহত্যার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে সোমবার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
লন্ডন পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এ ধরনের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে এটি প্রথম গ্রেপ্তারের ঘটনা। তবে মামলাটি নিয়ে কয়েক বছর ধরে তদন্ত চালাচ্ছিলেন কর্তৃপক্ষ। ৬৫ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গণহত্যায় সহায়তা করার অভিযোগ আছে।
এছাড়াও রুয়ান্ডায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সহায়তার ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। লন্ডন পুলিশের সন্ত্রাসবাদবিরোধী শাখার প্রধান কমান্ডার হেলেন ফ্লানাগান বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধে জড়িত থাকা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জন্য যুক্তরাজ্য নিরাপদ আশ্রয় নয়”—এই মামলাটি তা দেখিয়ে দিয়েছে। রুয়ান্ডা গণহত্যা ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় প্রায় একশ দিনের গণহত্যায় আট লাখের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন তুতসি এবং হুতু সম্প্রদায়ের।
সে সময় হুতু সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসকগোষ্ঠীর উসকানি ও নেতৃত্বে হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয় বলে অভিযোগ। গণহত্যায় স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিকদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়েছিল। এসজি/জিএইচ(এপি, এএফপি, রয়টার্স) মমতাপন্থি তৃণমূলকে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলকে দলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার অনুমতি দিলো কলকাতা হাইকোর্ট। তারা ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবে।
সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের প্রতীক ও নাম ব্যবহার নিয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। এই অবস্থায় হাইকোর্ট তহবিল নিয়ে আগের নির্দেশই বহাল রাখছে। ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মমতাপন্থি তৃণমূল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবে। রাজ্য সরকারের আইনজীবী অবশ্য বলেছিলেন, যেহেতু সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে কোনো দল এখন নেই।
ফলে তাদের অ্য়াকাউন্ট সংক্রান্ত মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু বিচারপতি জানান, কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। তাই আদালত আগের অবস্থানে থাকবে। অন্যদিকে জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে তৃণমূল। তাদের আইনজীবী কপিল সিব্বল দ্রুত এই আবেদনের শুনানির অনুরোধ জানান। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানিয়েছে, সব পক্ষকে জানানোর পর দ্রুত শুনানির চেষ্টা করা হবে। জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এএনআই, আনন্দবাজার)

