Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Indian's US Citizenship Revoked। ১৫ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় দোষী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল

Indian's US Citizenship Revoked। ১৫ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় দোষী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল

E News Bangla 6 days ago

Spread the love

র্ষণ ও অপহরণের মতো গুরুতর অপরাধের তথ্য গোপন করে মার্কিন নাগরিকত্ব নেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল করেছে আমেরিকার আদালত। অভিযুক্তের নাম গুরমীত সিং। বয়স ৫৫ বছর। তিনি পেশায় ট্যাক্সিচালক ছিলেন। মার্কিন বিচার বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে নিউইয়র্কে এক মহিলা যাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ করেছিলেন গুরমীত।

পরে ২০১৪ সালে সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। আদালত তাঁকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

এবার সেই পুরনো অপরাধের তথ্য গোপন করে কীভাবে তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন, তা সামনে এসেছে। মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন করার সময় নিজের অপরাধের তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছিলেন সিং। ফলে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেন। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লঁশে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ভারতের এক দোষী সাব্যস্ত ধর্ষক আর মার্কিন নাগরিক নন। তাঁর দাবি, নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় ধর্ষণ ও অপহরণের মতো অপরাধের তথ্য গোপন করেছিলেন সিং। সেই কারণে ফেডারেল আদালত তাঁর নাগরিকত্ব বাতিল করেছে।

ব্লঁশে আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া নাগরিকত্ব কাউকে আইনের হাত থেকে রক্ষা করবে না। ভবিষ্যতেও এই ধরনের নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে বলে বার্তা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। গুরমীত সিং ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকায় প্রবেশ করেন। তখন তিনি ছয় মাসের বেশি থাকার অনুমতি না থাকা এক অস্থায়ী ভিসায় এসেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরেও দীর্ঘদিন আমেরিকায় থেকে যান তিনি।

পরে পরিবারের মাধ্যমে করা একটি অভিবাসন আবেদন মঞ্জুর হয়। ২০০০ সালের জুনে তিনি স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পান। এরপর আসে ২০১১ সালের ভয়াবহ ঘটনা। মার্কিন বিচার বিভাগের বর্ণনা অনুযায়ী, গুরমীত তখন ট্যাক্সি চালাতেন। ২০১১ সালের মে মাসে এক মহিলা যাত্রীকে তিনি বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। যাত্রাপথে ওই মহিলা ঘুমিয়ে পড়েন।

কিছুক্ষণ পর ঘুম ভাঙতেই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। অভিযোগ, গুরমীত তাঁর গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখান। এরপর তাঁকে বেঁধে, মুখ বন্ধ করে এবং চোখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। পরে ভোরের দিকে কোনওভাবে ট্যাক্সি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় ছুটে গিয়ে ওই মহিলা সাহায্য চান। ঘটনার তদন্তের পর গুরমীত গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই অপরাধের পরেও তিনি নিজের নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া চালিয়ে যান। অভিযোগ, পুরো প্রক্রিয়াতেই অপরাধের তথ্য গোপন করেন তিনি। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই, ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে, তিনি মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়ে যান। অবশেষে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর চলতি বছরের ২৬ আগস্ট নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন জেলা আদালত তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে তাঁকে ভুলভাবে পাওয়া নাগরিকত্ব সরকারের কাছে সমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: E News Bangla