Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
নেতাদের নিরাপত্তায় কাঁচি! হিংসা রুখতে মালদহে এবার প্রশাসনের 'জিরো টলারেন্স' নীতি

নেতাদের নিরাপত্তায় কাঁচি! হিংসা রুখতে মালদহে এবার প্রশাসনের 'জিরো টলারেন্স' নীতি

ভোটের লড়াই শেষ হলেও উত্তাপ কমেনি মালদহ জেলায়। নির্বাচনী ফলাফল পরবর্তী হিংসা ও বিশৃঙ্খলা রুখতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে জেলা প্রশাসন। একদিকে যেমন জেলায় ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তেমনই জেলার ৪১ জন হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীর নিরাপত্তা বলয় নতুন করে খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।

বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে এই কড়া বার্তার কথা জানান জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর ও পুলিশ সুপার অনুপম সিং।

নিরাপত্তা মূল্যায়নে জেলা পুলিশ

মালদহ জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন স্তরের ৪১ জন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সরকারি নিরাপত্তা পান। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে পুরসভা বা সাংগঠনিক স্তরের নেতাদের জন্য ২ থেকে ৪ জন করে সশস্ত্র পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনী। তবে এই নিরাপত্তা চিরস্থায়ী নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রশাসন।

পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানান, এই ৪১ জনের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে মূল্যায়ন (Assessment) করা হবে। পরিস্থিতির গুরুত্ব এবং হুমকির মাত্রা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কার নিরাপত্তা বহাল রাখা হবে আর কার ক্ষেত্রে কাটছাঁট করা হবে। যদিও এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বাড়ানো বা কমানোর কোনো আবেদন জমা পড়েনি, তবুও প্রশাসনিক স্তরে এই পর্যালোচনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপ

জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জেলায় ভোট ও গণনা শান্তিপূর্ণভাবে মিটলেও ফলাফল পরবর্তী প্রতিহিংসা রুখতে প্রশাসন কোনোভাবেই শৈথিল্য দেখাবে না। তিনি সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যেন কেউ প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিতে না জড়ায়। ইতিমধ্য়েই ছোটখাটো গোলমালের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা ঘটলে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। মূলত সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা বোধ ফিরিয়ে আনা এবং বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এই কড়া অবস্থানের ফলে জেলার রাজনৈতিক মহলে যেমন শোরগোল পড়েছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ebela Live