Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'হোল্ডিং সেন্টার'-এর আতঙ্কে তল্পিতল্পা বেঁধে দলে দলে পালাচ্ছে বাংলাদেশিরা

'হোল্ডিং সেন্টার'-এর আতঙ্কে তল্পিতল্পা বেঁধে দলে দলে পালাচ্ছে বাংলাদেশিরা

ইদিন ওয়েবডেস্ক,উত্তর ২৪ পরগণা,২৬ মে : ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের(এস আই আর) পর প্রায় এক কোটি নাম বাদ গেছে । তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও কল্যাণ ব্যানার্জিরা প্রশ্ন তুলেছিলেন,বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা কোথায় ? মহুয়া ও কল্যাণদের সেই প্রশ্নের উত্তর মিলছে এবার । মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় 'হোল্ডিং সেন্টার' চালু করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকানোর কাজ শুরু হতেই আতঙ্কে তল্পিতল্পা বেঁধে দলে দলে পালাচ্ছে বাংলাদেশিরা ।

এস আই আর প্রক্রিয়া চলাকালীন আতঙ্কে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ঢল দেখা গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগণা জেলার স্বরূপনগরের বিথারী হাকিমপুর চেকপোস্টে । আজ মঙ্গলবার ফের একবার অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেল সেখানে । অনুপ্রবেশকারীদের প্রায় প্রত্যেকেই জানায় যে তারা তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের সৌজন্যে ভোটার বানিয়ে ফেলেছিল । কিন্তু এস আই আর প্রক্রিয়ায় সব বাতিল হয়ে গেছে ।

সম্প্রতি অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গাদের আটক করে জেলাভিত্তিক 'হোল্ডিং সেন্টার' তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দুই জেলা মালদা ও মুর্শিদাবাদের লালগোলায় এই সেন্টার চালু হয়ে গেছে । বেশ কয়েকজন অনুপ্রবেশকারীকে ধরে সেখানে ঢোকানোও হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই সেন্টারগুলিতে সন্দেহভাজনদের ৩০ দিন পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে। এছাড়াও, যাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে এবং যাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে, তাঁদেরও এই কেন্দ্রে রাখা হবে।

আর রাজ্য সরকারের এই তৎপরতা দেখে ওদিকে অনুপ্রবেশকারীদের ঢল নেমেছে স্বরূপনগর হাকিমপুর সীমান্তে । আজ মঙ্গলবার সকালে হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে ট্রলি, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে শয়ে শয়ে মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সীমান্ত পেরিয়ে ওপারে যাওয়ার কেউ কেউ ছাউনির নীচে, আবার কেউ রাস্তায় প্লাস্টিক পেতে অপেক্ষায় রয়েছেন । স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবারও প্রায় ১০০ জনের বেশি মানুষ সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। গত অক্টোবর মাসে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার সময়ও এমন ছবি দেখা গিয়েছিল। তাদের কেউ ৪-৫ বছর বা তার বেশি সময় আগে উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়ে রীতিমতো সংসার ফেঁদে বসে । ফলে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফ-কে জমি না দেওয়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে ।

এই বিষয়ে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লেখা হয়েছে,'বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরছে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক! SIR প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সময়ও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল। এবার হোল্ডিং সেন্টার চালু হওয়া এবং অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বিজেপি সরকারের কড়া অবস্থানের পর ফের সীমান্ত এলাকায় জমায়েতের খবর সামনে এসেছে। বছরের পর বছর পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয় বানানো হয়েছিল শুধুমাত্র ভোটের লোভে। সীমান্তকে দুর্বল করে, দেশের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে যে রাজনীতি চলেছে, এবার তার অবসান হতে চলেছে।'।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Din