Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
১৩ বছর বয়সী মায়ের কোলেই থাকবে ৭ মাসের শিশু

১৩ বছর বয়সী মায়ের কোলেই থাকবে ৭ মাসের শিশু

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ফের জয় মাতৃত্বের। ছোট্ট শিশু সন্তানের কথা মাথায় রেখে মঙ্গলবার (৪ অগস্ট) বড় পদক্ষেপ নিল লিগ্যাল এইড কার্যালয়। আপাতত ১৩ বছর বয়সী মায়ের কাছেই সাত মাসের শিশু সন্তান থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন লিগ্যাল এইড অফিসার সায়েম খান। যুযুধান দুই পক্ষের শুনানি শেষে তিনি জানান, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সাত মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য শিশু আপাতত মায়ের কাছেই থাকবে।

শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ এবং তার দুগ্ধপোষ্য হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।' সাত রাজার ধন মানিককে কাছে পাওয়ায় খুশি কিশোরী মা।

ঢাকার হাজারীবাগের ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী ও তার সাত মাস বয়সী শিশুসন্তানকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় দেশ। ফেসবুকেই ২০ বছরের সাকিলের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল কিশোরীর। তখন তাঁর বয়স সবে ১১ বছর। অভিযোগ, এর পরেই ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে জোর করে কিশোরীকে বিয়ে করে সাকিল। তার পরে নানা ভয় দেখিয়ে আটকে রাখে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কিশোরীর কোলজুড়ে আসে এক পুত্র সন্তান। কিন্তু আড়াই মাস আগে মারধর করে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় শাকিল ও তার মা। কোলের সন্তানকেও কেড়ে নেয়। গত ১ জুলাই ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইডের অফিসে শাকিল ও তার মা আছমার বিরুদ্ধে নালিশ ঠুকে একরত্তি সন্তানকে উদ্ধারের আর্জি জানায় কিশোরী। ওই আর্জির প্রেক্ষিতে গত ১৬ জুলাই শাকিল ও তার মাকে লিগ্যাল এইড অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ওই নির্দেশ মেনে তারা হাজির হননি। এর পরেই লিগ্যাল এইড অফিসার সায়েম খান শিশুটিকে উদ্ধার করতে চকবাজার থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন। গত সোমবার (২৭ জুলাই) সাত মাসের শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন মঙ্গলবার দুপক্ষের শুনানি শেষে সাত মাসের শিশু সন্তানকে তার মায়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন লিগ্যাল এইড অফিসার সায়েম খান।

কিশোরী মায়ের আইনজীবী মৃণাল কান্তি মিত্র জানিয়েছেন, 'শুটিং স্পট দেখানোর টোপ দেখিয়ে মেয়েটিকে প্রথমে আটকে রাখে সাকিল। তার পর শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করে। স্বামীর অধিকার দেখিয়ে তাকে বারবার নির্যাতন করেছে। গত ১ জানুয়ারি সন্তানের জন্ম দেয় কিশোরী। তার পরে নির্যাতন বাড়তে থাকে। শিশু সন্তানকে কেড়ে কিশোরীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte