Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
'৯৫ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, সরে যেতে দ্বিধা বোধ করবে না', সতর্কবার্তা সঙ্ঘের

'৯৫ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, সরে যেতে দ্বিধা বোধ করবে না', সতর্কবার্তা সঙ্ঘের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিজেপির তৃণমূলীকরণ নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলল রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ। দুর্নীতি ও তোলাবাজির থেকে বিরক্ত হয়েই বাংলার মানুষ তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপিকে। কিন্তু সেই তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারাই আজ বিজেপির প্রধান মুখ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

যাতে তীব্র আপত্তি রয়েছে আরএসএসের। আর সেই আপত্তির কথা নিজেদের মুখপত্রে ছত্রে ছত্রে লিখেছে সঙ্ঘ।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের মুখপত্র ‘স্বস্তিকা’তে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতৃত্বকে সাবধান করে বেশ কিছু কথা লেখা হয়েছে। ‘স্বস্তিকা’তে উল্লেখ করা হয়েছে, 'যদি ২ শতাংশ মানুষ অথবা ভোটার মনে করে বিজেপি আদতে পনেরো বছর ধরে চলে আসা একটি তস্কর/চোর সরকারের অন্য একটি রূপ। তবে তার ফলে ৯০ শতাংশ ভোটার বিজেপি থেকে সরে যেতে দ্বিধা বোধ করবে না। বাংলার ৯৫ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভরসা করে ভোট দিয়েছে। কিন্তু তারপরও বিজেপির তৃণমূলীকরণ কোথাও-কোথাও যেভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেই সংখ্যাটা খুব বেশি না হলেও রাশ টানতে হবে দলের নেতৃত্বকেই। মানুষের ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’

আরও পডুন: মাসের শুরুতেই ফের মহার্ঘ রান্নার গ্যাস, সিলিন্ডার পিছু দাম বাড়ল প্রায় ১০ টাকা

‘স্বস্তিকা’তে আরও লেখা হয়েছে, ‘পাঁচ দশক ধরে বিদেশি সিপিএম থেকে তস্কর সরকারের শাসনকালে সমাজবিরোধিতা আর তোলাবাজি সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছিল। যারা দুই কাজ একসঙ্গে করত তারা ছিল সেই সরকারের চোখের মণি। ওই জমানাতে তাই এমন কোনও নজির নেই যেখানে কোনও নেতা চরম দোষে শাস্তি পেয়েছে বা তাকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে ধানতলা, বানতলা, নেতাই, নন্দীগ্রাম আর কেশপুর থেকে শুরু করে মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদ, সন্দেশখালি, আরজি করে অভয়াকাণ্ডে সকল অপরাধী কোনও না কোনওভাবে রেহাই পেয়ে গিয়েছে। বিজেপির সামনে এখন খোলা জমি। পনেরো বছরের চোরের সরকার অনেকটাই ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গিয়েছে। বিদেশি বাম আর পাশ্চাত্যবাদী কংগ্রেস রাজনৈতিক ভাবে একেবারে নগণ্যে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপির বিরুদ্ধে এখন আর প্রায় ঘুরে দাঁড়ানোর কেউ নেই। কিন্তু মুশকিলটা অন্য দলের বাড়বাড়ন্তের নয়। জনগণের মুখোমুখি হওয়ার চাপ। তা যে কোনও রাজনৈতিক দলের চাপের থেকে বহুগুণ বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্য রাজ্যে এমনটা যে নেই তা নয়।’

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সঙ্ঘ তাদের মুখপত্রে এই কথাগুলি বলে আদপে সাবধান করে দিচ্ছে সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যদের। সময় থাকতে সাবধান হতেও নির্দেশ দিয়ে রাখল আরএসএস। মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte