Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বাদুড়িয়ায় এক রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ খাদ্য দফতরের

বাদুড়িয়ায় এক রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগ, কড়া পদক্ষেপ খাদ্য দফতরের

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে রয়েছে কালো 'ওয়েস্টবিন', সেখান থেকে কেটে রাখা কেজি কেজি মাংস ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন? এবার উত্তর চব্বিশ পরগনার এক নামী রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে পচা মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে, বাদুড়িয়ার দিদিমণি রোড এলাকার একটি রেস্তোরাঁয়। খবর পেয়েই ওই রেস্তোরাঁয় হানা দেয় পুলিশ, পুরকর্মী এবং খাদ্য দফতরের কর্মকর্তারা।

তাতেই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের। স্টোর করে রাখা কিলো কিলো মুরগি এবং খাসির পচা মাংস উদ্ধার করে নালায় ফেলে দেন তারা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দিনের পর দিন এই মাংস দিয়ে খাবার বানিয়েই রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছিল রেস্তোরাঁ। দিন কয়েক ধরেই এই অভিযোগ আসছিল। সেই ভিত্তিতেই তদন্ত চালিয়ে রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল খাদ্য দফতর।পাশাপাশি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নোটিশও জারি করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ এবং খাদ্য দফতর।

যদিও বাদুড়িয়ায় এই প্রথম নয়। এর আগেও শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ থেকে ভাগাড়ের মাংস উদ্ধার হয়েছে। বছর কয়েক আগে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভাগাড়ের মাংস উদ্ধার করেছিল পুলিশ-প্রশাসন। বাদুড়িয়ার একটি গোপন আস্তানা থেকেও টন টন পচা মাংস উদ্ধার করেছিল পুলিশ। যা নিয়ে রীতিমতো উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজ্য। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে একাধিক হোটেলকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল একাধিক নামকরা রেস্তোরাঁয়। ভাগাড়ের মাংসের মধ্যে মরা কুকুরের মাংসও ছিল। যেগুলি কম টাকায় কিনে হোটেলের খাবারে ব্যবহার করা হত। পাঠার মাংস হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হত। যাতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অনেকে।

দিন কয়েক আগে আসানসোল জুড়ে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবার ডাস্টবিনে ও নালায় ফেলে দেয় পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা। অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা বিভিন্ন দোকানের খাবারের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি, লাইসেন্স এবং স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন এবং সেখানে বেশকিছু জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় চরম অসঙ্গতি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ধরা পড়ে। উদ্ধার হয় কয়েকদিনের পুরোনো বাসি ভাজা চিকেন, মেয়াদের তারিখ পেরিয়ে যাওয়া দই এবং ক্ষতিকর কৃত্রিম রঙ মেশানো বিরিয়ানি ও বিরিয়ানির আলু।মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অনুপযোগী ও বিষাক্ত হওয়ার কারণে সেগুলি নর্দমায় ফেলে নষ্ট করে দেওয়া হয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte