Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বন্ধ করা হয়েছিল গীতাপাঠের আসর, নিজেই হস্তক্ষেপ করে চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী

বন্ধ করা হয়েছিল গীতাপাঠের আসর, নিজেই হস্তক্ষেপ করে চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: দল হিন্দুত্বে বিশ্বাসী। তাঁর মুখেও বারবার তেমনটাই শোনা গিয়েছে। কিন্তু এখন তিনি সকলের মুখ্যমন্ত্রী। সে কথা তিনি নিজে মুখেই বলেছেন। তাই সবার ভাল করা এখন তাঁর কাজ। এবার শুধু মুখের কথা নয়, সেটা কাজে করে দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও ভাবাবেগে আঘাত লাগুক সেটা চান না তিনি।

আর তাই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আলিপুরের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে তাঁর একটি কর্মসূচি ছিল। আর তার জেরে বন্ধ করা হয়েছিল গীতাপাঠের আসর। এই কথা জানতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রী নিজেই হস্তক্ষেপ করে তা চালু করলেন।

এদিকে গত ১১ মে থেকে ধনধান্যে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহব্যাপী 'পুষ্টিশ্রী শ্রীমদ্ভাগবত কথা'। ভবানীপুর এলাকার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা মিলে প্রায় দুই হাজার ভক্ত প্রত্যেকদিন এই আধ্যাত্মিক আসরে যোগ দিচ্ছেন। ১৭ মে, রবিবার এই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা। সেখানে শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ হঠাৎ ধনধান্য অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আয়োজকদের জানানো হয়, ১৭ তারিখের হল বুকিং থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে। সেদিন ওই অডিটোরিয়ামে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রয়েছে। এই নিয়ে আয়োজক এবং অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ তৈরি হয়। প্রায় ৬ মাস আগে অডিটোরিয়াম বুক করে হওয়া ওই ধর্মীয় অনুষ্ঠান মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিসে বাতিল করা নিয়ে তৈরি হয় ক্ষোভ।

অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে আয়োজকদের অনেকে বলতে শুরু করেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে সনাতনী আদর্শে বিশ্বাসী। তিনি এই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেরই বিধায়ক। অথচ মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিকে সামনে রেখে কেন এমন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বাতিল করা হবে? যদিও অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। এই পরিস্থিতিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়, এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের পক্ষে বিকল্প জায়গা ঠিক করা অসম্ভব। আর এভাবে হঠাৎ করে অনুষ্ঠান বাতিল করা হলে মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লাগবে। এই বিষয়টি শুভেন্দু অধিকারীর নজরে আসতেই তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ করেন নিজেই।

এরপরই প্রশাসনের অফিসারদের মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, ১৭ মে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গীতাপাঠের আসর চলবে। আর সরকারি কর্মসূচির সময় এবং স্থানের পরিবর্তন করা হবে। উদ্যোক্তাদের ভাবাবেগকে আঘাত করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের কথা জানতে পেরে অত্যন্ত খুশি আয়োজকরা। এরপরই তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পদক্ষেপে তারা আনন্দিত। তাঁদের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করলেন তিনি প্রকৃত অর্থেই একজন সনাতনী। সকলের কথা তিনি ভাবেন। তাঁর হস্তক্ষেপেই অনুষ্ঠানটি সাতদিনের পূর্ণতা পাচ্ছে। রবিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত যথারীতি গীতাপাঠের আসর চলবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte