নিজস্ব প্রতিনিধি: হামিম মণ্ডল, এই নামটাই এখন ভাবাচ্ছে রাজ্যের গোয়েন্দাদের। গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ ও এটিএসের যৌথ অভিযানে বর্ধমানের রেনেসাঁ আবাসন থেকে গ্রেফতার হয় এই জঙ্গি। তার নিশানায় ছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল, শুক্রবার বর্ধমান আদালত তার ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত দিয়েছে।
এখন রাজ্যের গোয়েন্দারা লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এদিকে আজ, শনিবার সকালে ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে।
চার বছর ধরে দুজনের যোগাযোগ। প্রথমে হামিম ও অর্পিতার সমাজমাধ্যমে আলাপ হয়। সেখান থেকেই দুজনের মধ্যে প্রেম। ঝাড়খণ্ডের অর্পিতা সরকারের সঙ্গে লুকিয়ে বাগদানও সেরে নিয়েছিল জঙ্গি-যোগে ধৃত হামিম মণ্ডল। বর্তমানে দু'জনেই রয়েছে পুলিশি হেফাজতে। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইন (ইউএপিএ)-এর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে হামিম ও অর্পিতাকে। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমেই দু'জনের পরিচয় হয়েছিল। ধৃত হামিমের সঙ্গে বিদেশি হস্টাইল এলিমেন্ট-দের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ। বাজেয়াপ্ত হওয়া দু'টি মোবাইল থেকে তথ্য উদ্ধারের জন্য ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। এই মোবাইল দুটি আদপে হামিম ও অর্পিতার। তাদের ডিলিট চ্যাট উদ্ধার করবে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারা। তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি জঙ্গি সংগঠনের।
আরও পডুন: রবিবারের ছুটি ভেস্তে দেবে বৃষ্টি, একাধিক জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা
রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সূত্রে খবর, অর্পিতার মগজধোলাই করেছিল হামিম। রাজনৈতিক নেতাদের ফাঁসাতে হামিমের হানিট্র্যাপের মাধ্যম ছিল অর্পিতাই, এমনটাই সূত্রের খবর। ধৃত হামিমের কাছ থেকে একটি আইফোন এবং দু'টি সিম পাওয়া গিয়েছে। এসটিএফ সূত্রের খবর, ফোনে ইনস্টল থাকা এক্স, টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপে সন্দেহজনক কথোপকথনের প্রমাণ মিলেছে দুজনের।

