Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, মণ্ডপে বসছে সিসি ক্যামেরা

বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, মণ্ডপে বসছে সিসি ক্যামেরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: শেখ হাসিনা জমানার পরেই বাংলাদেশে মৌলবাদী তথা জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে। আসন্ন দুর্গাপুজোয় মণ্ডপগুলোতে হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন গোয়েন্দারা। আর ওই সতর্ক বার্তা পাওয়ার পরেই প্রতিটি পুজোমণ্ডপে সিসি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মণ্ডপে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের ইনচার্জরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন।

পাশাপাশি আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকেই পুজোমণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই দেশের শাসন ক্ষমতায় এসেছে তারেক রহমানের বিএনপি। ফলে এবারই প্রথম বর্তমান সরকারের অধীনে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় পার্বণ হতে চলেছে। ফলে অগ্নিপরীক্ষা সসম্মানে উতরোতে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছেন না প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। গত বছর ২০২৫ সালে সারা দেশে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মণ্ডপ ও মন্দিরে দুর্গাপুজো আয়োজিত হয়েছিল। তার আগের বছর অর্থা‍ৎ ২০২৪ সালে সারা দেশে ৩১ হাজার ৪৬১টি দুর্গাপুজো হয়েছিল। সেই হিসাবে ১ হাজার ৮৯৪টি দুর্গাপুজো বেড়েছিল। চলতি বছর কত মন্দির ও মণ্ডপে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে জেলা প্রশাসকদের কাছে সেই হিসেব তলব করা হয়েছে।

চলতি বছর পুজোয় যে বিভিন্ন মণ্ডপে মৌলবাদীরা হামলা চালাতে পারে, তার ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মোসলেহউদ্দীন আহমেদ। তাঁর কথায়, 'এবারের পুজো ঢাকা পুলিশের কাছে এক অগ্নিপরীক্ষা। তাই কোনও রকম ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। দুর্গাপুজো চলাকালে উর্দিধারী ও সাদাপোশাকের পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত থাকবে।' মৌলবাদীরা যাতে অশান্তি পাকানোর মওকা না পায় তার জন্য পুজোর আয়োজকদের একগুচ্ছ নির্দেশও দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। বুধবার (৮ অক্টোবর) সাভার উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সভায় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্দেশ দিয়েছেন, 'আজান ও নামাজের সময় পুজোমণ্ডপে মাইক ও বাদ্যযন্ত্রের (ঢাক) শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রতিমা বিসর্জনের পর পুজোমণ্ডপ, মন্দির বা আশপাশে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না। মণ্ডপ ঘিরে কোনও মেলারও আয়োজন করা যাবে না।'

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte