Dailyhunt
বয়স কমিয়ে বিয়ে, মোনালিসাকে আইনি নোটিস ধরাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

বয়স কমিয়ে বিয়ে, মোনালিসাকে আইনি নোটিস ধরাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বয়স কমিয়ে বিয়ে, মোনালিসা-ফরমানকে আইনি নোটিস ধরাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গত মাসেই মুসলিম প্রেমিককে বিয়ে করেছেন 'মহাকুম্ভে' ভাইরাল হওয়া মোনালিসা ভোঁসলে। যিনি ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে মালা বেচতে গিয়ে ভাইরাল হয়েছিলেন। ব্যতিক্রমী তাঁর চোখ, মুখের গড়ন এবং শ্যামবর্ণ চেহারা সহজেই তাঁকে আলোচনায় টেনে আনে।

যার ফলে বলিউড থেকেও ডাক পান তিনি। প্রখ্যাত পরিচালক সনোজ মিশ্রের হাত ধরে বলিউডে অভিনয় যাত্রা শুরু করেন। তাঁর ছবি ‘দ্য মণিপুর ডায়েরি’-তে চুক্তিবদ্ধ হন। জানা যায়, পরিচালক তাঁকে হাতে কলমে অভিনয় শিখিয়েছেন। ইতিমধ্যেই কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতেও কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু কেরিয়ার শুরু হতে না হতেই মুসলিম প্রেমিক ফরমানকে বিয়ে করে নতুন করে সমস্যায় পড়েছেন তিনি। তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি তাঁদের বিয়ে। সেই কারণে কেরলের একটি মন্দিরে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রেমিক ফরমান খানকে বিয়ে করেন মোনালিসা।

তবে এখন তাঁর সমস্যা আরও বাড়তে চলেছে। মোনালিসা ও ফরমানকে একটি নোটিশ পাঠিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের। মোনালিসার বয়স নিয়ে সন্দেহ আছে। ধারণা, মোনালিসার এখনও ১৮ বছর হয়নি। সুতরাং বিয়ের জন্যে উপযুক্ত বয়স হয়নি মোনালিসার। তাই তাঁর বয়স তদন্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এখন মোনালিসাকে তাঁর বয়সের প্রমাণ দিতে হবে। দিল্লির জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মধ্যপ্রদেশের খারগোনের পুলিশ সুপারকে একটি নোটিস জারি করে মোনালিসার বয়স নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। উল্লেখ্য, মোনালিসা ও ফরমানের বিয়ের পর মোনালিসার বাবা জয়সিংহ ভোঁসলে, মা লতা ভোঁসলে এবং ‘দ্য ডায়েরি অফ মণিপুর’ ছবির পরিচালক সানোজ মিশ্র মোনালিসাকে নাবালিকা বলে অভিযুক্ত করেছিলেন।

এছাড়াও, সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিনেত্রীর পরিবারের সকল সদস্য ও তাঁর সম্প্রদায়ের লোকজন ফরমানকে প্রতারণামূলকভাবে নাবালিকা মোনালিসাকে বিয়ে করার জন্য অভিযুক্ত করেছিলেন। এখন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তদন্তের পর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খারগোনের পুলিশ সুপার রবীন্দ্র ভার্মাকে নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগে এও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে যে, মোনালিসার বিয়ের আগে তাঁর বয়স সংক্রান্ত নথিপত্র বিকৃত করেছে। তাই তাঁদের বিয়ের সময় জবরদস্তি, প্রতারণামূলক সম্পর্ক বা পরিচয় গোপনের মতো বিষয়গুলির তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মধ্যপ্রদেশ ও কেরল প্রশাসনকে তদন্তে অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছে। উভয় রাজ্যের মুখ্য সচিব ও পুলিশ প্রধানদের এই মামলার প্রতিটি দিকের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte