Dailyhunt
ভাষা নিয়ে বিক্ষোভের জেরে কামতাপুরীদের হাতে হেনস্থা বংশীবদনের

ভাষা নিয়ে বিক্ষোভের জেরে কামতাপুরীদের হাতে হেনস্থা বংশীবদনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রবল বিক্ষোভের মুখে গ্রেটার কোচবিহার সংগঠনের নেতা বংশীবদন বর্মন। রবিবার দুপুরে ভাষার নাম নিয়ে মত পার্থক্যের জেরে গ্রেটার কোচবিহারের নেতা বংশীবদন বর্মনকে ময়নাগুড়িতে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখালো কামতাপুরী ঐক্য মঞ্চের সদস্যরা।

দীর্ঘ দিন ধরেই কামতাপুরী ও রাজবংশী ভাষার নাম নিয়ে উত্তরবঙ্গে বিতর্ক চলছে। একই ভাষার দুই নামে দুটি অ্যাকাডেমিও তৈরি করা হয়েছে। জলপাইগুড়িতে এর নাম কামতাপুর ভাষা অ্যাকাডেমি এবং কোচবিহারে নাম রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমি। আর এতেই ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে কামতাপুর ঐক্য মঞ্চের সদস্যদের মধ্যে।

বরাবরের মত কামতাপুর পিপলস পার্টির সমর্থকদের দাবি, ভাষার নাম হোক কামতাপুরী, অন্যদিকে গ্রেটার কোচবিহার পিপলস বা ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থকরা চায় ভাষার নাম হোক রাজবংশী।

সেই বিতর্কের মধ্যে এদিন ময়নাগুড়ির আমগুড়ির বসুনিয়া বাড়ির পুজোয় এসেছিলেন গ্রেটার কোচবিহার নেতা বংশীবদন বর্মন।

খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে ময়নাগুড়ি রেলগেটে কামতাপুর ঐক্য মঞ্চের সদস্যরা বংশীবদন বর্মনের গাড়ি আটক করে বিক্ষোভ দেখায়। যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায় এলাকায়। পরে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যান বংশীবদন বর্মন।

এই ঘটনায় কামতাপুর ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ধীরেন রায় বলেন, 'উত্তরবঙ্গের একটা বড় অংশের মানুষ কামতাপুর ভাষায় কথা বলেন। এই ভাষা স্বীকৃতির দাবীতে দীর্ঘ আন্দোলন হয়েছে। অনেকে কামতাপুর ভাষার দাবী আদায় করতে গিয়ে শহীদও হয়েছেন। বর্তমান সরকার আমাদের দাবীকে মান্যতা দিয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে একই ভাষার জন্য কোচবিহারে বা জলপাইগুড়ি জেলাতে দুই নামে দুই অ্যাকাডেমি হয়েছে। এটাই আমরা মানতে পারছি না।'

এই ঘটনায় বংশীবদন বর্মন জানান, আমি আজ একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে ময়নাগুড়ি যাচ্ছিলাম। আমাকে রেলগেটে আটকে বিক্ষোভ দেখালে আমি ফিরে আসি। একটি ভাষার দুটি নাম। এই নিয়ে আমি আগেই মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। আমি চাই ভাষার কী নাম হবে, তা ভাষাবিদরাই ঠিক করে দিন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte