নিজস্ব প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গ যেন টাকা ও সোনার খনি। যেখানেই পুলিশ বা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা হাত দিচ্ছে, সেখান থেকেই কোটি কোটি টাকা আর কেজি কেজি সোনা উদ্ধার হচ্ছে। গত সপ্তাহে বীরভূমের মহম্মদবাজারে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৮ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা।
টুলুর সাম্রাজ্য ভাঙার যখন কাজ চলছে ঠিক সেই মুহূর্তে মালদহে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করল পুলিশ।
দিন কয়েক আগে বেআইনিভাবে কাশির সিপার পাচারের অভিযোগ পেয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছিল ৪ জনকে। তাদের জেরা করেই মেলে মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি আবাসনের হদিশ। এরপরই ধৃতদের সঙ্গে নিয়ে সেই ঠিকানায় আজ, রবিবার হানা দেয় পুলিশ। দেখা যায়, বিছানা-আলমারি জুড়ে শুধুই টাকা ছড়িয়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আনা হয় তিনটি টাকা গোনার মেশিন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, চলছে টাকা গোনার কাজ। সোমবার ভোর পর্যন্ত ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার বেশি উদ্ধার হয়েছে। বিছানায় থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে নোটের বান্ডিল। কাশির সিরাপের তদন্তে নেমে পুলিশের জালে এল কোটি টাকার হদিশ। এ যেন ঠিক কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটে।
আরও পডুন: নৌকা করে ভগবানপুরের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে সেচমন্ত্রী
দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহ থানার পুলিশ প্রথম বিষয়টি ফাঁস করে। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে স্পেশাল অপারেশন টিম। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এদিন উদ্ধার হওয়া টাকা মাদক পাচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী স্রেফ টাকা রাখার জন্যই নাকি মালদহের ওই আবাসনটি ভাড়া নিয়েছিলেন। সেই মতোই সেখানে রাখা হয়েছিল কোটি কোটি টাকা। এখন ওই ভাড়া বাড়ির মালিকের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। সঙ্গে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই মাদক ব্যবসায়ীর খোঁজ চালানো হচ্ছে।

