Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বিয়ের আগে গর্ভবতী মেয়েকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা, খুনের পর পা ছুয়ে ক্ষমা চাইল বাবা

বিয়ের আগে গর্ভবতী মেয়েকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা, খুনের পর পা ছুয়ে ক্ষমা চাইল বাবা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগ্রা: বিয়ের আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছিল কিশোরী কন্যা। লোকলজ্জার ভয়ে এক বড় পদক্ষেপ নিল বাবা। চিকি‍ৎসক দেখানোর নাম করে আগ্রায় নিয়ে গিয়েছিল আত্মজাকে। তার পর জামাইয়ের সঙ্গে মিলে চম্বল নদীতে ডুবিয়ে মেয়েকে হত্যা করেছিল। হত্যার পর অনুশোচনায় মৃত মেয়ের পা ধরেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিল।

হৃদয় বিদারক ঘটনা চমকে দিয়েছে পরিবার-পরিজন থেকে দুঁদে পুলিশ আধিকারিকদের।

বুধবার (৫ অগস্ট) দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চার দিন আগে দক্ষিণ দিল্লির তিগড়ি থানায় ১৮ বছর বয়সী মেয়ের নামে নিখোঁজ ডায়েরি নথিবদ্ধ করান বাবা লখপত। তদন্তে নেমে পুলিশ পরিবারের সদস্যদের জেরা শুরু করে। জেরার মুখে ভেঙে পড়ে লখপত জানান, মেয়ে নিখোঁজ হয়নি। তাকে খুন করে নদীর জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই স্বীকারোক্তি শুনে থ মেরে যান পুলিশ আধিকারিকরা। এর পর জেরায় লখপত জানান, ১৮ বছরের অবিবাহিত কন্যা গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন। বিয়ের আগে গর্ভবতী হয়ে পড়ার ঘটনায় পরিবারের প্রত্যেক সদস্য বড় আঘাত পেয়েছিলেন। বংশের নাম যাতে না ডোবে, তার জন্য মেয়েকে খুনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বড় জামাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ করার পরে চিকি‍ৎসক দেখানোর নামে গত ২৯ জুলাই মেয়েকে আগ্রায় নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরে আগ্রার বাসোনি থানার অন্তর্গত চম্বল নদীতে নিয়ে গিয়ে ডুবিয়ে মেয়েকে হত্যা করা হয়। হত্যার পরে অনুতপ্ত হয়ে মেয়ের পা ছুয়ে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি।

লখপতের বক্তব্যের সূত্র ধরে আগ্রা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিগড়ি তানার পুলিশ আধিকারিকরা। আগ্রায় গিয়ে পৌঁছায় পুলিশের একটি দল। তার পরে লখপত ও তার জামাইকে নিয়ে চম্বল নদীতে তল্লাশি চালিয়ে হতভাগ্য কিশোরীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte