নিজস্ব প্রতিনিধি: চেক বাউন্স বিতর্কে বিপাকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। এবার নওদার বিধায়ককে ডেডলাই বেঁধে দিল মহমেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ঢাকঢোল পিটিয়ে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি পদে বসেছিলেন হুমায়ুন কবীর। এবার ক্লাব কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে হুমায়ুনকে বার্তা দিয়েছে নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিশ্রুতি মতো টাকা ক্লাবকে দিতে হবে।
নইলে ছাড়তে হবে সভাপতির পদ।
গতকাল, শনিবার মহমেডান ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, ১০ অগস্টের মধ্যে প্রতিশ্রুতির পুরো টাকা না দিতে পারলে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে হুমায়ুনকে। কোনও রাখঢাক নয়, নওদার বিধায়ককে একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মহমেডান কর্তারা। এমনকি, ৫ অগস্টের মধ্যে দিতে হবে প্রতিশ্রুতির অর্ধেক টাকা। এই কারণেই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে গজল জাফরকে। একই সঙ্গে সহ সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কাজী মাসুম আখতারকে। মহমেডান ক্লাবের আর্থিক সঙ্কট কাটাতে ও খেলোয়াড় কিনতে বিপুল টাকার দরকার ছিল। তখনই হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁকে সভাপতি করা হলে সেই সমস্যার সমাধান করা হবে। সেইমতো ২৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। এমনটাই দাবি ক্লাব কর্তৃপক্ষের। সেটা দিতে হতো চলতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে। এর মধ্যে ৫ তারিখের মধ্যে দিতে হবে সাড়ে ১২ কোটি টাকা। বাকি টাকাটা দিতে হবে ১০ তারিখের মধ্যে। যদিও মহমেডান ক্লাবের অভিযোগ, নওদার বিধায়কের দেওয়া চেক বারবার বাউন্স হয়েছে। কোনও টাকা এখনও পায়নি ক্লাব। তাই চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ক্লাবের তরফে বিধায়ককে দেওয়া হয়েছে।
আরও পডুন: বান্ধবী অর্পিতার সঙ্গে গোপনে কী কথা হামিমের? চ্যাট উদ্ধারের চেষ্টায় গোয়েন্দারা
১৭ জুলাই, ২০ জুলাই ও ৩০ জুলাই ক্লাবকে মোট ৩টি চেক দিয়েছিলেন মহমেডানের নতুন সভাপতি হুমায়ুন। ৫০ লক্ষ টাকা করে তিনবারে মোট দেড় কোটি টাকার চেক দেন হুমায়ুন। সেই তিনটে চেকই বাউন্স করে বলে ক্লাবের অভিযোগ।

