Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
দেশলাই চাওয়া নিয়ে বচসার পরেই ছুরি দিয়ে হামলা! যুবকের হাতে খুন প্রৌঢ়

দেশলাই চাওয়া নিয়ে বচসার পরেই ছুরি দিয়ে হামলা! যুবকের হাতে খুন প্রৌঢ়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিগারেট ধরানোর জন্য একটি দেশলাই কাঠি চাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল তর্ক। সেই সামান্য বচসাই শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনল। অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা জেলার ভেমুকু মণ্ডলের ভেল্লাবাদু গ্রামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় দু'জনেই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ গ্রামের রাস্তায় হাঁটছিলেন সিএইচ চরণ তেজা। সেই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা হয় স্থানীয় বাসিন্দা ৪৬ বছরের এপুরু ইয়োহানের। সিগারেট ধরানোর জন্য তেজা তাঁর কাছে একটি দেশলাই কাঠি চান। কিন্তু ইয়োহান দেশলাই দিতে রাজি না হওয়ায় দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। ক্রমে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাস্তায় গোলমালের শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা সেখানে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের তৎপরতায় দু'জনকে শান্ত করা হয়। এরপর তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরে যান। তবে সেখানেই ঘটনার শেষ হয়নি। অভিযোগ, কিছুক্ষণ পর বাড়ি থেকে একটি ছুরি নিয়ে ফের রাস্তায় বেরিয়ে আসেন চরণ তেজা। এরপর ইয়োহানের উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। প্রতিবেশীরা দ্রুত আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তেনালির সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ইয়োহানের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত চরণ তেজা পলাতক। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। দেশলাই নিয়ে শুরু হওয়া এই বিবাদ কীভাবে এত দ্রুত প্রাণঘাতী সংঘর্ষে পরিণত হল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিকে ইয়োহানের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তিনি স্ত্রী ও এক পুত্রকে রেখে গিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, তাঁর স্ত্রী জন্ম থেকেই শ্রবণ ও বাক্‌প্রতিবন্ধী। তাঁর ছেলেও ছোটবেলা থেকেই অসুস্থ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তাঁরা কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা গেলে ঘটনার সম্পূর্ণ কারণ ও হামলার নেপথ্যের বিষয়গুলি আরও স্পষ্ট হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte