Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ডুরান্ডের রং লাল-হলুদ, এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ডের রং লাল-হলুদ, এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৯৭৫ সালে ডুরান্ডের ডার্বির ফাইনালে ৫ গোলে জয় পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ১৯৯৭ সালে ৪ গোলে এসেছিল জয়। ২০২৬ সেই ব্যবধান দাঁড়াল ৪-১। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় যুবভারতীর রং হল লাল-হলুদ। ডুরান্ডের ডার্বির ফাইনালে মোহনবাগান-কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপ জিতল লাল-হলুদ শিবির।

আজ, রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে দেখা গিয়েছে সবুজ-মেরুণ ব্রিগেড-কে। প্রথম থেকেই মোহনবাগানের খেলায় কোনও তেজ ছিল না। অপরদিকে শুরু থেকেই তেড়েফুঁড়ে মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। বোধ হয় ২০২৩ সালের ডুরান্ড কাপের ফাইনালের বদলার আগুনে জ্বলছিল লাল-হলুদ শিবিরের ফুটবলাররা। সেই ম্যাচ ১-০ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহনবাগান। তিন বছর পর আবার ডুরান্ডের ডার্বিতেই ফয়সালা হল। এবার বাজিমাত করল ইস্টবেঙ্গল।

আরও পডুন: কেন বাংলাদেশে হিন্দু শিক্ষক সহ পরিবারের চার সদস্য খুন? প্রকাশ্যে হাড়হিম করা তথ্য

মোহনবাগানের রক্ষণের ফাঁক শুরুতেই দেখিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। রশিদের পাস ধরে গোল করেন বিপিন সিংহ। শুভাশিস বসু তাঁকে নজরে রাখতে পারেননি। তাই কিছু করার ছিল না মোহনের গোলকিপার বিশাল কাইথের। শুরুতেই ১-০ গোল এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্বিতীয় গোলটি করেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। বক্সের বাইরে থেকে শট মারেন তিনি। রাহুল ভেকের পায়ে বল লাগে। ফলে বিশাল বলের নাগাল পাননি। ফের মোহনবাগানের জালে ঢোকে বল। ২০ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন এডমুন্ড। তখনই মোহনবাগানের কফিনে শেষ পেড়েক পুঁতে গিয়েছিল। এদিনের ম্য়াচে মোহনবাগানের রক্ষণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। তবে দলের মান বাঁচাতে হাফটাইমের আগে একটি গোল শোধ করেন মোহনবাগানের মনবীর সিংহ। যদিও তার পাল্টা দিতে দেরি করেনি লাল-হলুদ ব্রিগেড। রশিদের ফ্রি কিক থেকে বক্সে বল পাস দেন জয় গুপ্তা। সেই পাসে গোল করেন এডমুন্ড। ডার্বির ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ডার্বিতে এর আগে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে হ্য়াটট্রিকের নজির ছিল কেবল বাইচুং ভুটিয়ার। সেই শিবিরে নাম লেখালেন এডমুন্ড।

আরও দু'টি গোল করতে পারত ইস্টবেঙ্গল। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন লালচুংনুঙ্গা ও জেসিন। হাফটাইমের পর সেই সুযোগ এলেও হাতছাড়া করেন তাঁরা। দুই ক্ষেত্রেই মোহনবাগানের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ান গোলকিপার বিশাল কাইথ। যদিও তাতে কোনও লাভ হয়নি। রেফারির শেষ বাঁশি যখন বাজল তখন স্কোরবোর্ডে খেলার ফল ইস্টবেঙ্গল ৪-১ মোহনবাগান। চলতি বছরে আরও একটি ট্রফি নিজেদের ঘরে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte