নিজস্ব প্রতিনিধি: ঘটকপুকুর চৌমাথায় পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কড়া পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের। অভিযোগের তদন্তে নাম উঠে আসার পর এক সার্জেন্ট-সহ দুই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এক সিভিক ভলান্টিয়ারকেও বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর।
সূত্রের খবর, ভাঙড়ের ঘটকপুকুর চৌমাথায় পণ্যবাহী গাড়ি থেকে নিয়মিতভাবে জোর করে টাকা আদায় করা হচ্ছে এমন অভিযোগ পৌঁছেছিল নবান্নের শীর্ষ মহলে। বিষয়টি কলকাতা পুলিশের নজরে আসতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ভাঙড় ট্রাফিক পুলিশ গার্ডের কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। তদন্তে এক সার্জেন্ট, এক কনস্টেবল এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম উঠে আসে। তাঁরা হলেন সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা, কনস্টেবল শিবনন্দ ঠাকুর এবং সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লা (সিভি-৭৩৯৬)। অভিযোগ, ঘাটকপুকুর চৌমাথা দিয়ে যাতায়াতকারী পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে থামিয়ে তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেওয়া হত। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পদক্ষেপ করে কলকাতা পুলিশ। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, সার্জেন্ট নুরুল ইসলাম মোল্লা এবং কনস্টেবল শিবনন্দ ঠাকুরকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, সিভিক ভলান্টিয়ার আলি হাসান মোল্লাকে ডিউটি থেকে আপাতত সাসপেন্ড করা হয়েছে।
তিনজনের বিরুদ্ধেই নিয়ম মেনে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। টাকা আদায়ের অভিযোগের পিছনে আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তদন্তে তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পণ্যবাহী গাড়ি থেকে বেআইনি ভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের শীর্ষ স্তর থেকে খবর আসার পরই পুলিশের এই কড়া পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

