আন্তর্জাতিক ওয়েবডেস্ক: যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইরানের সঙ্গে পুরোপুরি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আমেরিকার সেনা সরবে না। ইরানের আশেপাশেই মোতায়েন থাকবে মার্কিন সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান। আজ, বৃহস্পতিবার (ভারতীয় সময়) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে এমনটাই জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সমস্ত মার্কিন রণতরী, যুদ্ধবিমান, সেনাবাহিনী ইরানের আশেপাশেই থাকবে। সঙ্গে অতিরিক্ত অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রও তাদের সরবরাহ করা হচ্ছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সবকটি চুক্তি হয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্তই মার্কিন সেনারা তেহরানের আশেপাশেই থাকবে। ইরান ইতিমধ্যেই অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবুও আমাদের সেনাকে সতর্ক রাখা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: সুখবর! হরমুজ পেরিয়ে ১৫,৪০০ টন LPG নিয়ে মুম্বই পৌঁছল ভারতীয় ট্যাঙ্কার
তিনি আরও বলেন, ‘কোনও কারণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সমস্ত শর্ত ও সমঝোতায় না হয়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ। যদিও এরকম কিছু ঘটবে না। যদি ঘটে তাহলে, তেহরানের আকাশে তারা নয়, গোলা দেখা যাবে। তবে আগাম জানাচ্ছি, কোনও পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার নয়। খুলতে হবে হরমুজ প্রণালি, যত দ্রুত সম্ভব। তেমনটা না হলে, আমাদের সেনা রয়েছেই সবটা বুঝে নেওয়ার জন্যই। আমেরিকা ফের স্বমহিমায় ফিরে এসেছে।’ তবে ট্রাম্প যাই দাবি করুন না কেন। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও হামলা পাল্টা হামলা চলছে সৌদি আরব, ইরানে। যদিও তেহরানের দাবি, ইজরায়েল লেবাননে হামলা বন্ধ না করলে তারাও চুপ করে বসে থাকবে না। লেবাননের উপর ইজরায়েলের হামলার প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। যদিও তেল আবিবের দাবি, যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্যে লেবানন পড়ছে না। তাই সেখানে হামলা চলবে।
অপরদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে আগামী শনিবার ইসলামাবাদ যাচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। সূত্রের খবর, পাকিস্তানেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানো নিয়ে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভান্স বৈঠক করবেন।

