নিজস্ব প্রতিনিধি: দিনভর বৃষ্টিতে ভ্যাপসা গরম থেকে খানিকটা হলেও স্বস্তি মিলেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গবাসীদের। কিন্তু এই বৃষ্টি কতদিন অবধি চলবে? তবে কি বর্ষা শুরু হয়ে গেল? যদিও সোমবারের (৬ জুলাই) আলিপুর হাওয়া অফিসের বুলেটিন অনুসারে, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জেলায় জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত চলবে।
তাছাড়া শুক্রবারও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্র থেকে স্থলভাগে নিম্নচাপ প্রবেশ করেছে। ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর ওড়িশা দিয়ে ক্রমেই স্থলভাগের দিকে এগিয়ে চলছে নিম্নচাপ। অন্যদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান থেকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত মৌসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই দুইয়ের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই প্রবল ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই বলা হয়েছিল।
তবে মঙ্গলবার আলিপুর আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আপতত নিম্নচাপ ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড় হয়ে মধ্যপ্রদেশের দিকে রওনা দিয়েছে। যার ফলে আবারও ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি বাড়বে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর ওড়িশাতে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। ক্রমশ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। সেই কারণেই বদলাচ্ছে আবহাওয়া। পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে মৎস্যজীবীদের আজ, মঙ্গলবার পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেশিরভাগ জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।
তবে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি পাত চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সেই কারণে বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে লাল সর্তকতা জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ওই জেলাগুলিতে। আজ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলাতে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। তবে শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি এবং রবিবারে ও ঝড় বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ওই জেলাগুলিতে। বৃহস্পতিবার অতি ভারীর বৃষ্টির জন্যে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে। সেখানে শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছ।

