নিজস্ব প্রতিনিধি,হাবড়া: বেলা দেড়টার পর থেকে দুর্যোগ আসছে। ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। তাই দ্রুত সব সভা শেষ করতে হবে। বেশি সময় দিতে না পারার জন্য হাবড়ার জনসভার শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকা সত্ত্বেও নিজের সমস্ত সভাস্থলে যাওয়ার জন্যই ভাষণ সংক্ষিপ্ত করছেন তিনি।
এদিনে সভা মঞ্চ থেকে কেন্দ্র ও কমিশনকে নিশানা করেছেন তিনি।
তৃণমূলনেত্রী বলেন, কথা দিয়েও কথা রাখে না বিজেপি। ওরা মিথ্যে কথার ফুলঝুড়ি। তাঁর অভিযোগ, বহিরাগতদের বাংলা নিয়ে এসে চক্রান্ত করছে বিজেপি। তাদের কথাতেই কমিশন কাজ করছে। নাম কাটছে, আর ভোট লুটছে। ভোটারদের উদ্দ্যেশে তাঁর বার্তা, নাম বাদ গেলে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। দল সবরকম সাহায্য করবে। অন্যান্য জনসভার মতো এখানেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, একটা লোককেও বাংলা থেকে তাড়াতে দেবেন না! তাঁর অভিযোগ, লক্ষ লক্ষ সেন্ট্রাল ফোর্স পাঠানো হচ্ছে। আমাদের থাকতে দিতে হবে, খেতে দিতে হবে। তার পরেও তাঁরাই বিজেপির হয়ে কাজ করবে।
রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ানও তুলে ধরেছেন তিনি। বলেছেন, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে ইনফরমেশন টেকনোলজি হাব হয়েছে। বাংলার ডেয়ারি বন্ধ ছিল, সেটা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ইস্কন মন্দিরের জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। নতুন রাস্তা তৈরি করার জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। সেই জন্য দেড়ঘণ্টায় কলকাতা থেকে রানাঘাট আসা যায়। কালনা থেকে শান্তিপুর পর্যন্ত একটা ব্রিজ তৈরি করা হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকায়।
নির্বাচনের আর বাকি মাত্র কয়েকদিন। প্রথম দফার নির্বাচনের প্রচারে ঝড় তুলছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নদিয়া থেকে ৩টি জনসভা করেছিলেন। মঙ্গলবারেও তিনটি জনসভা করবেন তিনি। চাকদা, কল্যাণী ও হরিণঘাটা বিধানসভার প্রার্থীদের একসঙ্গে মঞ্চে নিয়ে হাজির তৃণমূল সুপ্রিমো। চাকদার মশড়া নবপল্লির মাঠে শুভঙ্কর সিংহ, ডা: অতীন্দ্র নাথ মন্ডল ও ডা: রাজীব বিশ্বাসের সমর্থনে প্রচারে এসেছেন তিনি। সময় কম থাকায় একাধিক প্রার্থীকে নিয়ে একসঙ্গে প্রচার সারছেন তিনি।

