নিজস্ব প্রতিনিধি: চৈত্র মাস পড়তেই চাঁদিফাটা রোদ। এখনও মে মাস পড়েনি, তার আগেই ভ্যাপসা গরমে অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে জনমানসের। কিন্তু সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা নামতেই শহর ভিজল স্বস্তির বৃষ্টিতে। একটু হলেও কাঠফাটা গরম থেকে রেহাই মিলল রাজ্য বাসীর। আবহাওয়া সূত্রের খবর, আগামী বুধবার পর্যন্ত প্রবল ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে রাজ্য জুড়ে।
হাওড়া, হুগলি, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সর্তকতা রয়েছে। সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হবে ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামিকালও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমানে কালবৈশাখী হতে পারে। কলকাতায় আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়বে। প্রায় চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হবে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা কমবে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। আগামী বুধবার মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা বেশি থাকবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। পাশাপাশি কলকাতাতেও মঙ্গল, বুধবার দুই দিনই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে আগামী দুদিন তাপমাত্রা কম থাকবে রাজ্যজুড়ে। শুক্রবার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়বে। আজ নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলী, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাতেও রাত ১০ টা পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই আজ সন্ধ্যা গড়াতে বৃষ্টি নামতেই আলিপুর আবহাওয়ার তরফে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, উত্তর-দক্ষিণ পরগনায়। হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে নদিয়া জেলায়। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে প্রচন্ড বজ্রপাত সঙ্গে ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে।

