Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী, ক্ষুব্ধ তৃণমূলনেত্রী

কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী, ক্ষুব্ধ তৃণমূলনেত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সন্ধ্যা নামতেই আচমকা কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে পুলিশের ব্যারিকেড। বিশাল পুলিশ বাহিনী, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়নারা উপস্থিত। এলাকার বাসিন্দাদের বুঝে ওঠার আগেই ঘটছিল সব ঘটনা। পরে সূত্র মারফত জানা যায়, আজ, রবিবার রাতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে মমতার।

নাবালিকাকে খুন ও ধর্ষণের অভিযোগে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয় বারুইপুর। দফায় দফায় চলে উত্তেজনা। রেল অবরোধ, সরকারি সম্পত্তি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে যায় বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপির নেতৃত্বে বিশাল টিম। পরে গ্রেফতার করা হয় এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে। কিন্তু ক্ষুব্ধ জনতা পিটিয়ে খুন করে এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ তাঁতিকে। সেই ঘটনাতেই এবার পথে নামছিলেন মমতা। ইতিমধ্যেই ওই নাবালিকার বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে তৃণমূলনেত্রীর। কালীঘাট তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিন রাতেই বারুইপুরে ওই নাবালিকার বাবার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগেই কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রীর বাড়ির সামনে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, মানুষের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গিয়েছে এবং তিনি দাঙ্গা হাঙ্গামা পছন্দ না করে সম্পূর্ণ একা ওই শোকস্তব্ধ পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বাড়ির সামনে প্রায় এক হাজার পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করে মুখে কিছু না বলে একপ্রকার হাউজ অ্যারেস্ট বা নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে।

আরও পডুন: জন্মদিন পালনের জন্য জোর করে বড় মায়ের মন্দির খুলিয়েছিলেন পার্থ ভৌমিক!

যদিও কলকাতা পুলিশের তরফে এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি এখনও পর্যন্ত। এদিকে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা দেখে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, দোলা সেন, উপাসনা চৌধুরী। গতকাল, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের ১১ বছরের ওই নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই নিয়ে সকালে থেকে বারুইপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক অভিযুক্তকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে বিক্ষুব্ধদের বিরুদ্ধে। কুলপি রোডে নাবালিকার মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয়। গোটা পরিস্থিতির খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফোন করেন ওই নাবালিকার বাবাকে। আগামী মঙ্গলবার ভবানী ভবনে তাকে দেখা করতে আসতে বলেন। শুভেন্দুর ফোনের পরেই তৎপরতা আরও বাড়িয়ে দেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। ঘটনার তদন্তে এসপির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। বারুইপুরে নিহত নাবালিকার দেহের ময়নাতদন্ত আজ, শনিবার রাতেই হয়ে গিয়েছে। তার পরে কাঁটাপুকুর মর্গ থেকে নাবালিকার দেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বারুইপুরের বাড়িতে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Ei Muhurte