নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঘরের ভিতর থেকে ভেসে আসছিল গোঙানির শব্দ। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছতেই সামনে আসে এক অস্বাভাবিক দৃশ্য। খাটের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় পড়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, রাতভর তাঁকে মারধর করা হয়েছে।
এমনকি বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বিদ্যুতের শকও দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর জেলার আউং থানার পারসদেবপুর গ্রামের। আহত ব্যক্তির নাম সঞ্জীব তিওয়ারি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পুলিশকে জানান, রবিবার রাতে তাঁর স্ত্রী তাঁকে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এরপর দীর্ঘক্ষণ ধরে মারধর করা হয়। অভিযোগ, পরে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বিদ্যুতের শকও দেওয়া হয়। ঘটনার পর তিনি নিজে কোনওভাবে বেরোতে বা সাহায্য চাইতে পারেননি বলেও দাবি করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কানপুরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। আহতের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাঁর ভাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে অভিযুক্ত স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃহাতে কম ছুটি? ঘুরে আসুন ছোটনাগপুরের পাহাড়ি স্বর্গ নেতারহাট
সূত্রের খবর, ডায়াল ১১২-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সেখান থেকেই আহত অবস্থায় সঞ্জীব তিওয়ারিকে উদ্ধার করা হয়। জেলার পুলিশ সুপার অভিমন্যু মঙ্গলিক জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে পারিবারিক বিবাদ নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

